Published : 25 Jun 2025, 08:47 PM
খুলনায় মারধর করে পুলিশের কাছে দেওয়া এক এসআইকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার বিকালে এসআই সুকান্ত দাসকে নগরীর ইস্টার্ন গেইট এলাকা থেকে আটক করে জনতা মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে খুলনা মহানগর পুলিশের খান জাহান আলী থানা হেফাজতে রাখা হয়। রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় বুধবার দুপুর থেকে খুলনা নগর পুলিশের সদর দপ্তর ঘেরাও করেন একদল বিক্ষোভকারী। একপর্যায়ে তারা ফটকে তালা লাগিয়ে দেন এবং সড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা রাস্তার দুইপাশ বন্ধ করে স্লোগান দিতে থাকেন। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিক্ষোভে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদেরও অংশ নিতে দেখা যায়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সুকান্তের বিরুদ্ধে খুলনা নগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম ওরফে মনার বাসভবনে হামলা এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগে অন্তত চারটি মামলা আছে। রাতে কোনো ধরনের আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে সুকান্তকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইলে পুলিশ সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে ফটকে তালা লাগিয়ে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা।

বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসআই সুকান্ত দাসের গ্রেপ্তার করার দাবি করেন। অন্যথায়, পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেন।
এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, “এসআই সুকান্তের বিরুদ্ধে মামলা থাকলেও সেগুলো তদন্তাধীন। এ কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি তার বর্তমান কর্মস্থল চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানায় ফিরে গেছেন।”
পুলিশ জানায়, খুলনায় একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন এসআই সুকান্ত। তখন তাকে জনতা আটক করে।