তজুমদ্দিনে ‘দলবেঁধে ধর্ষণ’: শ্রমিকদলের বহিষ্কৃত নেতা গ্রেপ্তার
রোববার দুপুরে স্বামীকে মারধর করে স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় বলা হয়েছে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় স্বামীকে মারধর করে স্ত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের মামলায় শ্রমিকদলের বহিষ্কৃত নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মোহাব্বত খান বলেন, প্রধান আসামি আলাউদ্দিনকে নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে এবং ২ নম্বর আসামি ফরিদ উদ্দিনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মো. ফরিদ উদ্দিন তজুমদ্দিন উপজেলা শ্রমিকদলের এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
এ নিয়ে এ মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে বুধবার দুপুরে মামলার পাঁচ নম্বর আসামি মানিককে এবং ছয় নম্বর আসামি ঝর্ণা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তজুমদ্দিনের এক দম্পতি সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার রাতে দ্বিতীয় স্ত্রীর ডাকে তার বাসায় যান স্বামী। সেখানে গেলে কয়েকজন তাকে আটকে রেখে টাকার দাবিতে রাতভর নির্যাতন চালান। তার প্রথম স্ত্রীকে টাকা নিয়ে স্বামীকে ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে বলা হয়।
রোববার সকালে প্রথম স্ত্রী ঘটনাস্থলে গেলে চার লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেটি দিতে অসম্মতি জানালে ওই ব্যক্তিকে পাইপ ও রড দিয়ে বেদম মারধর করা হয়। একপর্যায়ে দুপুরের দিকে তাকে বাড়ি থেকে সরিয়ে তার প্রথম স্ত্রীকে ‘দলবদ্ধ ধর্ষণ’ করা হয়। এরপর সেই ব্যক্তি ও তার প্রথম স্ত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তজুমদ্দিন উপজেলা শ্রমিকদলের এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দিন ও আলাউদ্দিন ‘ধর্ষণ’ করেন বলে অভিযোগ দম্পতির।
এ ঘটনায় পাঁচজনের নামে মামলা হয়েছে। এরই মধ্যে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
অপরদিকে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শ্রমিকদলের নেতা ফরিদ উদ্দিনকে এবং ছাত্রদলের আরও দুজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
