মন্ত্রীর বেতন দিয়ে সংসার চলে না, তাই রোগী দেখি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
হাকিমপুর উপজেলায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল এবং দরিদ্র ১০ শিক্ষার্থীর মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী হিসেবে যে বেতন পান তা দিয়ে সংসার চলে না, তাই নিয়মিত রোগী দেখার কথা বললেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
পেশায় চিকিৎসক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, “কেউ কেউ বলেন, মন্ত্রিত্ব নাকি খুবই লোভনীয় বিষয়। কিন্তু এটি হয়ত ১২ ফেব্রুয়ারির আগের ঘটনা হতে পারে। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পরবর্তীতে মন্ত্রিত্ব কোনো লোভনীয় বিষয় না, মন্ত্রিত্ব কঠিন দায়িত্ব।
“আমি জাহিদ হোসেন মন্ত্রী হওয়ার আগে অর্থনৈতিকভাবে আরও বেশি স্বাবলম্বী ছিলাম। মন্ত্রী হওয়ায় বরঞ্চ অর্থনৈতিকভাবে আমি অনেক কষ্টের মধ্যে আছি। কারণ, যে কয় টাকা বেতন দেয়, ওই টাকা দিয়ে সংসার চলে না। এই কারণে এখন দুই ঘণ্টা করে রোগী দেখা শুরু করেছি। সপ্তাহে তিন দিন রোগী দেখি, যাতে সংসারটা একটু ভালো চলে।”
বুধবার দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল এবং দরিদ্র ১০ শিক্ষার্থীর মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
দিনাজপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, “সকালে ফজরের নামাজের পর ৬টা থেকে দৌড় শুরু করতে হয় কখন রেডি হব, কখন অফিসে যাব, কখন কাজ করব। রাত ২টা পর্যন্ত দৌড়ের উপর থাকতে হয়। কাজেই মন্ত্রিত্ব একটা কঠিন দায়িত্ব। এটা লোভনীয় বিষয় নয়।”
তিনি বলেন, “যারা এসব কথা বলেন, কেউ কেউ পত্রিকায় বলেছেন। তাদের কাছেও প্রশ্ন আছে। ৩৬ জুলাইয়ের পরে অনেকের চেহারার মধ্যে বেশ পরিবর্তন এসেছে। অনেক দামী দামী কাপড় পরেন। উনাদের কাছে আমাদের জানার আগ্রহ আছে, আমাদের তো ইনকাম ট্যাক্সে ফাইল আছে, আপনাদের ট্যাক্সের ফাইলটা কত দিন আগে খুলেছেন। ট্যাক্স ফাইলের কী অবস্থা। ওগুলো জনসম্মুখে উপস্থাপন করবেন।”
