২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়কে ‌‌‌‌‌‘অজ্ঞাত’ মায়ের মৃত্যু, বেঁচে যাওয়া শিশুর কান্না থামছেই না

শিশুটির কান্নার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পরিচয় পেতে শিশুটির ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করছেন অনেকেই।

সড়কে ‌‌‌‌‌‘অজ্ঞাত’ মায়ের মৃত্যু, বেঁচে যাওয়া শিশুর কান্না থামছেই না
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশু।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Feb 2025, 03:04 PM

Updated : 10 Sep 2026, 02:57 PM

ময়মনসিংহের ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অজ্ঞাত এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেও বেঁচে গেছে তার এক বছর বয়সী শিশু।

দুই দিন ধরে অবুঝ শিশুটি মাকে পাশে না পেয়ে কান্নাই করে যাচ্ছে; হাসপাতালের কেউ তার কান্না থামাতে পারছে না।

শনিবার দুপুরে শিশুটির কান্নার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। শিশুটির পরিচয় পেতে তার ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করছেন অনেকেই।

আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী ওই নারীর স্বজনদের খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভালুকা ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি আতাউর রহমান।

বৃহস্পতিবার রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে উপজেলার স্কয়ার মাস্টার বাড়ি এলাকা থেকে আহত অবস্থায় ওই নারী ও তার ছেলেকে উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই নারীর মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন তার ছেলে।

ওসি আতাউর রহমান বলেন, “ঘটনার দিন জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ওই শিশু ও তার মাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

“সেখান থেকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের ময়মনসিংহ হাসপাতালে নেওয়া হয়। শুনেছি, শিশুটির মা মারা গেছেন। তবে এখনও তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।”

আহত মা ও সন্তানকে হাসপাতালে নেওয়া পুলিশ সদস্য তারিকুল ইসলাম বলেন, “শুক্রবার ভোরে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সঙ্গে কেউ না থাকায় শিশুটিকে হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে এবং তার মাকে ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করি।

“শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই নারী মারা যান। তবে শিশুটি এখনও হাসপাতালের ভর্তি আছে। তাদের পরিচয় এখনও মেলেনি। মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে।”

শিশুটি মাথায় আঘাত পেয়েছে জানিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক ফারজানা আক্তার বলেন, “তাকে ওয়ার্ডের অন্য রোগীর স্বজনরা দেখভাল করছেন। সে অনেক কান্না করছে। দ্রুত স্বজনদের পাওয়া গেলে বাচ্চাটির জন্য মঙ্গল হয়।”