Published : 20 Jun 2026, 10:05 PM
আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারের লাবণী ও ইনানী সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। দুই দিনের এ অভিযানে সৈকত থেকে প্রায় সাত টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
শুক্র ও শনিবার আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কেওক্রাডং বাংলাদেশ’ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। সংগঠনটির সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা এতে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন স্থান থেকে প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেটসহ প্রায় পাঁচ টন অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে এসব বর্জ্য কক্সবাজার পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানো হয়।

তাদের মতে, প্লাস্টিক ও অন্যান্য অপচনশীল বর্জ্যের কারণে সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। পর্যটকদের সচেতন করতে এবং সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখতে তারা দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্র দিবস উপলক্ষে এ ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছেন।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মাখদুম বলেন, সৈকতে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক ও অপচনশীল বর্জ্য দেখে তারা বিস্মিত হয়েছেন।
তিনি বলেন, পর্যটকরা সচেতন হলে সমুদ্র সৈকত আরও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে অংশ নিতে আসা সৃজিতা রায় বলেন, মানুষ ঘুরতে এসে অনেক সময় প্লাস্টিকজাত বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে দেয়। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেললে সেগুলো পুনর্ব্যবহার করা সহজ হয়। তিনি প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
‘কেওক্রাডং বাংলাদেশ’ এর পরিচালক মুনতাসির মামুন বলেন, তাদের সংগঠন প্রায় ২০ বছর ধরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, ব্যক্তিগতভাবেও সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। সবাই সচেতন হলে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কমে আসবে।