০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

পায়ুপথে দেড় কোটি টাকার সোনার পেস্ট, ভোমরা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

ভারতীয় নাগরিক পায়ুপথে করে সোনার পেস্টগুলো পাচার করছিলেন বলে ভাষ্য বিজিবির।

পায়ুপথে দেড় কোটি টাকার সোনার পেস্ট, ভোমরা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরার ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় সোনার পেস্টসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 03 Nov 2026, 05:28 PM

Updated : 03 Nov 2026, 05:41 PM

সাতক্ষীরার ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় এক কোটি ৫৫ লাখ টাকার সোনার পেস্টসহ ভারতীয় এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; যিনি পায়ুপথে করে এসব পাচার করছিলেন বলে ভাষ্য বিজিবির।

মঙ্গলবার সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারতীয় নাগরিককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান।

সোমবার সকালে ভোমরা আইসিপি (ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট) এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় বলে জানান তিনি।

কারাগারে যাওয়া ব্যক্তির নাম জহির শাহ গোলাম হোসেন (৪৩)। তিনি ভারতের মুম্বাইয়ের ছিতা ক্যাম্প এলাকার গোলাম হোসেন শের খানের ছেলে।

সোমবার রাত ১১টার দিকে বিজিবি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার দিন সকাল ৯টার দিকে ভোমরা ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্ট ব্যবহার করে ভারতে গমনের সময় সন্দেহভাজন যাত্রী জহির শাহকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি সদস্যরা তল্লাশি ও শারীরিক পরীক্ষা চালান। পরবর্তীতে বিশেষ পদ্ধতিতে তার পেটের ভেতর (মলদ্বারের মাধ্যমে বহন করা) দুটি প্যাকেট থেকে সোনার পেস্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

পরে চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও তল্লাশির মাধ্যমে তার পেট থেকে প্রায় ৮১৩ গ্রাম স্বর্ণের পেস্ট উদ্ধার করা হয়; যার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ৫৫ লাখ টাকা বলে জানায় বিজিবি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র বিভিন্ন অবৈধ পন্থায় সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে সোনা চোরাচালানের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান রোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, সোনার পেস্টসহ ভারতীয় নাগরিক জহির শাহর বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।