Published : 13 Jul 2026, 02:17 PM
নেত্রকোণার সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করেছেন স্বজনরা।
রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে শহরের জয়নগর এলাকায় ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। সদর ফাঁড়ির একটি দলও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ একরামুল হাসান বলেছেন, “ঘটনার পর থেকে চিকিৎসকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।”
হাসপাতালে মারা যাওয়া সজীব মিয়া নেত্রকোণা শহরের আমগাছতলা এলাকার শুকুর আলীর ছেলে এবং পেশায় পিকআপ ভ্যানের চালক ছিলেন।
স্বজনদের অভিযোগ, রোববার সন্ধ্যায় গ্যাসজনিত ব্যথা নিয়ে সজীবকে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার ‘অবনতি’ হয়।
কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সুজন পাল ‘প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে অবহেলা’ করেন।
এক পর্যায়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজীবের মৃত্যু হয় বলে স্বজনদের ভাষ্য।
তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ একরামুল হাসান বলেছেন, “খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন হাসপাতালে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে তারা ক্ষোভে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালান।
“খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ ঘটনায় হাসপাতাল বা কোনো চিকিৎসকের গাফিলতি ছিল কি-না তা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
পাশাপাশি হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।