১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নারায়ণগঞ্জে র‌্যাব পরিচয়ে ৫২ লাখ টাকা লুট: গ্রেপ্তার ৪

গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে লুট হওয়া চার লাখ ৪৯ হাজার টাকা, র‌্যাবের কটি, খেলনা রিভলভার, হ্যান্ডকাফসহ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

নারায়ণগঞ্জে র‌্যাব পরিচয়ে ৫২ লাখ টাকা লুট: গ্রেপ্তার ৪
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা টাকা, র‌্যাবের কটি, খেলনা পিস্তল ইত্যাদি।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Aug 2024, 04:58 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:07 PM

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে র‌্যাব পরিচয়ে গাড়ি থামিয়ে ৫২ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বুধবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) চাইলাউ মারমা। 

গ্রেপ্তাররা হলেন- কুমিল্লার হোমনার মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে শামীম আহম্মেদ সবুজ (৩৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের আরেজ মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন ওরফে ইসলাম (৪৫), শেরপুরের শ্রীবদ্দীর সৈয়দুর রহমানের ছেলে হাফিজুর রহমান ওরফে সুমন এবং পিরোজপুর সদরের মৃত দেলোয়ারের ছেলে আব্দুর রহমান মেহেদী (৩০)। 

গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে লুট হওয়া চার লাখ ৪৯ হাজার টাকা, তিনটি কালো রঙের র‌্যাবের কটি, একটি সেনাবাহিনীর রঙের কাঁধের ব্যাগ, একটি লেজার লাইট, একটি কালো রঙের খেলনা রিভালবার, এক জোড়া হ্যান্ডকাফ, দুইটি মাথার ক্যাপ উদ্ধার করা হয়। 

চাইলাউ মারমা জানান, গত ২৩ মে রাত পৌনে ৯টার দিকে আড়াইহাজার উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুপ্তারা এলাকায় র‌্যাব পরিচয়ে ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেনের গাড়ি থামায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি। 

তারা তল্লাশির নামে আব্দুল বাতেন, তার মেয়ের জামাই ও চালককে গাড়ি থেকে নামায়। পরে তাদের হাত ও মুখ বেঁধে ৫২ লাখ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়। 

পরে ভুক্তভোগীরা ৯৯৯ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানালে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে গাড়িটি উদ্ধার করতে পারলেও আসামিরা পালিয়ে যায়। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, এই ঘটনায় ২৫ মে আড়াইহাজার থানায় মামলা করেন আব্দুল। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

“গ্রেপ্তার আসামিরা প্রায় সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে একইভাবে ডাকাতি করে থাকে বলে স্বীকার করেছে।“ 

দস্যুতা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ইকবালের বিরুদ্ধে আটটি, মেহেদী ও শামীমের বিরুদ্ধে চারটি করে এবং হাফিজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।