১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা নেমেছে ১১ ডিগ্রির নিচে

আগামীতে তাপমাত্রা আরও কমে এই জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা আবহাওয়া অফিসের।

কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা নেমেছে ১১ ডিগ্রির নিচে

কুড়িগ্রামে তীব্র শীত ও কুয়াশার মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে যাচ্ছে কয়েক শিশু। 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Dec 2023, 12:34 PM

Updated : 14 Dec 2023, 12:34 PM

কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত। হিমাঙ্কের পারদ নেমেছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রিতে। ফলে শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষজন। 

ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে গোটা জনপদ। দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলছে না সূর্যের। এ অবস্থায় সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ। কুয়াশা ও ঠাণ্ডার কারণে কাজে বের হতে পারছেন না তারা। 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গত ২ সপ্তাহ ধরে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি থেকে ১৮ সেলসিয়াসে ডিগ্রিতে উঠানামা করছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

“যা আগামীতে আরও কমে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এই জেলার উপর দিয়ে।” 

এদিকে উত্তরীয় হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠাণ্ডায় গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে পড়েছেন জেলার নদ-নদী তীরবর্তী চরের বাসিন্দারা। 

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের দিনমজুর নামদেল আলী বলেন, “কয়েকদিন থেকে খুব শীত। মাঠে কাজ করতে সমস্যা হয়। এখনো কেউ আমাক কম্বল দেয় নাই। কম্বলের খুব দরকার বর্তমানে।” 

Image

কনকনে শীতে মানুষের পাশাপাশি কষ্ট পাচ্ছে প্রাণিকূলও।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আব্দুল গফুর বলেন, “আমার ইউনিয়নের বেশির ভাগ এলাকায় নদী ও চরাঞ্চল। সবচেয়ে শীত অনুভূত হয় এখানে। সরকারিভাবে এখনো কোনো শীত বস্ত্র পাইনি। পেলেই স্থানীয়দের মধ্যে বিতরণ করা হবে। ” 

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান,  জেলার নয়টি উপজেলায় হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সরকারিভাবে ৪৫ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তা বিতরণ করা হচ্ছে। আরও বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।