কুয়েট উপাচার্যকে ‘লাঞ্ছিত’ করায় গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের নিন্দা
“বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত ও অপমান করা সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থার ওপর চপেটাঘাতের শামিল।”
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্যকে ‘শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার’ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর।
সোমবার গভীর রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে উপাচার্য বলেন, “সহিংসতা কখনও প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না। শিক্ষকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
কুয়েটে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান তিনি।
অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত ও অপমান করা সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থার ওপর চপেটাঘাতের শামিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর চরম নৈরাজ্যের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা ও শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে বর্তমানে কর্মরত উপাচার্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছেন এবং নিরলসভাবে সচেষ্ট রয়েছেন।”
এ অবস্থায় কুয়েট উপাচার্যের ওপর এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অস্থিতিশীল করার নীল নকশার অংশ কি-না তা খতিয়ে দেখার আহ্বানও জানান তিনি।
যেকোনো সমস্যা সমাধানে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে দলমত নির্বিশেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে একত্রিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিনির্মাণে কাজ করে যেতে হবে।”
