‘পাচারকালে’ সংকটাপন্ন প্রজাতির ১১ হনুমান উদ্ধার, ৩ জনের জেল-জরিমানা
আটক তিনজনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পাচারের সময় একটি প্রাইভেট কারসহ ১১টি সংকটাপন্ন প্রজাতির মুখপোড়া হনুমান উদ্ধার করা হয়েছে; আটক তিনজনকে অর্থ ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বন্যপ্রাণি ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পরিদর্শক নিগার সুলতানা বলেন, গোপন সংবাদে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তার বিভাগ ঢাকার মাতুয়াইল শামিমবাগ এলাকায় অভিযান চালায়।
এ সময় একটি প্রাইভেট কারসহ সংকটাপন্ন প্রজাতির ১১টি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধার ও তিন পাচারকারীকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার সুবিল গ্রামের ইমরান হোসেন (২৮), একই জেলার মুরাদনগর থানার পশ্চিম দিঘলী গ্রামের মো. আসিফ (২৩) এবং শরীয়তপুরের ভেতরগাঁও থানা মুইষার এলাকার বাসিন্দা সোহাগ (৩০)।
আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে বন্যপ্রাণি ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ জানায়, হনুমানগুলোকে চট্টগ্রাম থেকে কুষ্টিয়ায় পাচার করা হচ্ছিল।
পরে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তিনজনকে ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় বলে জানান নিগার সুলতানা।
তিনি বলেন, ১১টি মুখপোড়া হনুমানকে গাজীপুরে সাফারি পার্কের পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুখপোড়া হনুমানের বৈজ্ঞানিক নাম Trachypithecus pileatus। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ বা আইইউসিএনের লাল তালিকায় মুখপোড়া হনুমানকে রাখা হয়েছে ‘সংকটাপন্ন’ ক্যাটাগরিতে। এর মানে হল, এই প্রাণীর প্রজাতি প্রকৃতিতে বিপন্ন হয়ে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
