২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব মূল্যবান পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানায় বিজিবি।
সোনার বারগুলো বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশে বহন করা হচ্ছিল বলে ভাষ্য বিজিবির।
আগামী ১৩ জুলাই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যের দিন দিয়েছে আদালত।
টেকনাফ উপকূলে থেকে উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে রোহিঙ্গা ১১ জন এবং বাকিরা বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
ভারতে পাচারের জন্য কিশোরীকে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পার করানোর চেষ্টা করা হয় বলে ভাষ্য বিজিবির।
কোস্টগার্ড বলছে, হাতিয়া ও সন্দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা থেকে সিমেন্ট নিয়ে মিয়ানমারে যাচ্ছিল পাচারকারীরা।
ফেরত আসারা ২০২৪ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে মা-বাবার সঙ্গে অবৈধভাবে ভারত যায়।
“তারা পেট্রোল ক্রয় ও বহনের সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দশ হাজার টাকা জরিমানা দেয়।”