০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
টেকনাফ উপকূলে থেকে উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে রোহিঙ্গা ১১ জন এবং বাকিরা বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
ভারতে পাচারের জন্য কিশোরীকে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পার করানোর চেষ্টা করা হয় বলে ভাষ্য বিজিবির।
কোস্টগার্ড বলছে, হাতিয়া ও সন্দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা থেকে সিমেন্ট নিয়ে মিয়ানমারে যাচ্ছিল পাচারকারীরা।
ফেরত আসারা ২০২৪ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে মা-বাবার সঙ্গে অবৈধভাবে ভারত যায়।
“তারা পেট্রোল ক্রয় ও বহনের সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দশ হাজার টাকা জরিমানা দেয়।”
তিনি স্যামসাংয়ের সাবেক এক কর্মকর্তার সঙ্গে মিলে চীনা কোম্পানিতে যোগ দেওয়ার পর কোম্পানিটির তৈরি প্রযুক্তি চীনা কোম্পানির কাছে পাচার করেন।
থাইল্যান্ডের পুলিশ বলছে, আটকদের মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল একটি চক্রের।
ভাল কাজের আশায় বিভিন্ন সময় দালালদের মাধ্যমে অবৈধ পথে তারা ভারতে প্রবেশ করেন বলে জানায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।