১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সিলেটে ‘চোর সন্দেহে’ পিটুনি ও বাড়িঘর ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ৫

বাদী রহিমা বেগম বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তার স্বামীকে চোরের অপবাদ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

সিলেটে ‘চোর সন্দেহে’ পিটুনি ও বাড়িঘর ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ৫
সিলেটের বিশ্বনাথ থানা।

সিলেট প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Mar 2025, 02:14 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:18 PM

সিলেটের বিশ্বনাথে ‘চোর সন্দেহে’ একজনকে পিটুনি ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচ জনকে। 

বুধবার সকালে ভুক্তভোগী আব্দুল আহাদের স্ত্রী রাহিমা বেগম বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন বিশ্বনাথ থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী। 

মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ অজ্ঞাত আরও ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে শাহান শাহ (২৫), আতিকুর রহমানের ছেলে শফিউর রহমান (২৩), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে ইমরান মিয়া (২৬), মৃত ধন মিয়ার ছেলে মিলাদ উদ্দিন (২৩), মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মারুফুল ইসলাম (২১)।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে খাজাঞ্চী ইউনিয়নের রাজাগঞ্জ বাজার সংলগ্ন গুচ্ছগ্রামের একটি ঘরে আব্দুল আহাদকে মারধর এবং ঘরটিতে ভাঙচুর করে স্থানীয়রা। 

মামলার এজাহারে বাদী জানিয়েছেন, ১৫ মার্চ রহিমপুর মাইজপাড়া জামে মসজিদের ইমামের ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান কিছু জিনিস চুরি হয়। এতে স্থানীয় কয়েকজন আব্দুল আহাদকে সন্দেহ করেন। 

পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা আব্দুল আহাদকে মারধর করে এবং রহিমপুরে গ্রাম নিয়ে গিয়ে বেঁধে রাখে।

মামলার বাদী রহিমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তার স্বামীকে চোরের অপবাদ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। তার স্বামী ডান চোখ ও মাথায় মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।

ওসি এনামুল হক চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল আহাদকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। 

এ সময় পাঁচ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। মামলার পর তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।