১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সিরাজগঞ্জ যুবদলের সভাপতি-সম্পাদককে শোকজ, ৭ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এ জবাবও চাওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ যুবদলের সভাপতি-সম্পাদককে শোকজ, ৭ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার
(বাঁ থেকে) আল আমিন খান ও মুরাদুজ্জামান মুরাদ।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Apr 2025, 05:36 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:32 PM

নিয়ম বহির্ভূতভাবে সংগঠন চালানোর অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিন খান ও সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে; কিছু সময়ের ব্যবধানে স্থানীয় সাত নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার বিকালে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা পত্রে সংগঠনটির জেলার শীর্ষ দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে ও তার কমিটির সভাপতিকে নোটিস দেওয়া এবং বেলকুচি উপজেলা যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের সাত নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার বিষয়টি স্বীকার করেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদ।

একটি সভায় আছেন দাবি করে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবেন বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

শোকজ করার মাত্র একদিন আগে জেলা যুবদলের সভাপতি মির্জা  আব্দুল জব্বার বাবুর মৃত্যুজনিত কারণে আল আমিন খানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি।     

নোটিসে বলা হয়েছে, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মত পদে দায়িত্বে থেকেও নিয়ম বহির্ভূত কার্যক্রম পরিচালনা করার বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। 

জেলা যুবদলের এ দুই শীর্ষ নেতাকে আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

এ ছাড়া সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বিজ্ঞপ্তিতে সে জবাবও চাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা যুবদলের কয়েকটি ইউনিটের সাত নেতাকে বুধবার সকালে বহিষ্কারের পর রাতেই তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

বুধবার সকালে জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মাসুম রেজা মুসার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নিয়ম-শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বেশ কয়েক বার সতর্ক করা হলেও ‘কর্ণপাত না করায়’ তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের সঙ্গে সাংগঠনিক সর্ম্পক না রাখতে দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং এদের কোনো অপরাধের দায়িত্ব সংগঠন নেবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এরপর রাতে জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিন খান ও সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ওই সাত নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।     সাত নেতার মধ্যে আছেন, বেলকুচি উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য পল্টন জোর্য়াদার, হাফিজুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সাবেক সদস্য উজ্জল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. কাইয়ুম, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি চাইনিজ রফিকুল, সাবেক সদস্য হাবিব ওরফে হাবলু ও সাবেক সদস্য সেলিফ আল আকবর শশী।