Published : 30 Jun 2026, 08:09 PM
টাঙ্গাইলে নারীকে হত্যা করে টাকা ও সোনার গহনা লুটের ঘটনায় মুয়াজ্জিন ও এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এস এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- দেলদুয়ার উপজেলার একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন মোশারফ হোসেন (৪২) এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ী সন্তোষ কর্মকার (৪৫)।
রোববার দুপুরে পৌর শহরের শিবনাথ পাড়া এলাকার একটি তিনতলা বাড়ির তৃতীয় তলা থেকে হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় নাজমা আলমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত নাজমা আলম (৫১) ভেটেরিনারি চিকিৎসক শফিউল আলম শাহীনের স্ত্রী। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মোশারফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপে ছিলেন। তিনি নিহত নাজমা আলমের একই ভবনের ভাড়াটিয়া ছিলেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে নাজমা আলমের বাসায় প্রবেশ করেন।”
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, তিনি হাতুড়ি দিয়ে নাজমা আলমের মাথায় আঘাত করেন। পরে তার গলায় ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার নেওয়ার চেষ্টা করলে নাজমা বাধা দেন।
একপর্যায়ে তাকে হত্যা করে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। পরে স্বর্ণালংকার, হাতুড়ি ও সিসিটিভির ডিভিআর সঙ্গে নিয়ে যান।
তদন্তের একপর্যায়ে প্রথমে সন্তোষ কর্মকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে খোয়া যাওয়া স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
টাঙ্গাইলে বাসা থেকে হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো নারীর মরদেহ উদ্ধার