Published : 04 Aug 2025, 10:58 AM
কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ছয় মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।
রোববার দুপুরে বিচারপতি মজিবুর রহমান ও বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয় বলে আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া জানান।
এ বিষয়ে রিট আবেদনকারী ছিলেন নদী রক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী আইনজীবী একলাছ।
রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোর্শেদ।
আদালতের আদেশের বরাতে একলাছ উদ্দিন বলেন, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, অন্যান্য সরকারি দপ্তর মিলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আদালতের এ রায় শুধু গোমতী নয়, দেশের সব নদী রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা আশা করছি, প্রশাসন এখন দখলদারদের সঙ্গে আপস না করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করবে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, “এখনো আদালতের নির্দেশনা হাতে পাইনি।
“যদিও আমরা নিয়মিতই গোমতীর দুই পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে থাকি।”
কুমিল্লার ডিসি মো. আমিরুল কায়সার বলেন, “রিটকারী আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি ও মহামান্য আদালতকে জানিয়েছি, নদীর দুই তীরে সাড়ে পাঁচশোর বেশি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে।
“এগুলো উচ্ছেদের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ব্যয় বাজেট পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করব।”
ইতোমধ্যে গোমতী নদীর দুই তীরের সদর উপজেলার অংশের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলেও জানান ডিসি।