Published : 14 Jan 2026, 08:45 PM
রংপুরে ‘রেকটিফাইড স্পিরিট’ পানে ছয়জন মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার কারাবন্দি বিক্রেতা মারা গেছেন; যিনি মাদক কারবারি ছিলেন বলে দাবি পুলিশের।
বুধবার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে জানান রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
মৃত জয়নুল আবেদিন (৪৬) বদরগঞ্জ উপজেলার কিশামত বসন্তপুর নয়াপাড়া গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে।
সোমবার সকালে ‘রেকটিফাইড স্পিরিট’ বিক্রির আভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জেল সুপার অভিজিত চৌধুরী বলেন, জয়নুল আবেদিন মাদক ও হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। মঙ্গলবার বিকালে বুকে ব্যথা অনুভব হলে তাকে কারাগার থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সেখানে হৃদরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জয়নুল মারা যান বলে জানান তিনি।
এদিকে তিন দিনে রংপুর সদর ও বদরগঞ্জ উপজেলায় ‘রেকটিফাইড স্পিরিট’ পান করে ছয়জনে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সবশেষ শ্যামপুর বাজার এলাকার রাশেদুল ইসলাম ও আব্দুল মালেক মারা যান।
এ ছাড়া সোমবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরের হাজিরহাট থানার বালারবাজারে স্পিরিট খেয়ে মানিক চন্দ্র রায় (৬০) মারা যান।
এর আগে রোববার রাতে বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল (৩০), বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) এবং সদর উপজেলার শ্যামপুর শাহ পাড়ার জেনতার আলী (৪১) নিজ বাড়িতে মারা যান।
এ ঘটনায় ১০ বোতল স্পিরিটসহ বিক্রেতা জয়নুল আবেদিনকে আটক করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।