Published : 09 Oct 2025, 11:57 PM
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একজন ব্যবসায়ীর স্ত্রী ও কলেজপড়ুয়া মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থেকে রাত ৯টার মধ্যে কোনে এক সময়ে উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিহতরা হলেন- জুলেখা বেগম (৫৫) ও তার মেয়ে তানহা আক্তার মীম (১৯)।
জুলেখা রামগঞ্জের সোনাপুর বাজারের ক্রোকারিজ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের স্ত্রী। তাদের সন্তান মীম রামগঞ্জ মডেল কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি ঘরে থাকা প্রায় ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে বলে অভিযোগও ওঠেছে।
জানতে চাইলে রাত ১১টায় সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) জামিলুল হক বলেন, “কে বা কারা, কী কারণে মা-মেয়েকে হত্যা করেছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।”
তিনি বলেন, খবর পেয়ে রামগঞ্জের ওসি ঘটনাস্থলে গেছেন। পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই’র ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল যাচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, মিজানের বাড়ির পুরুষ সদস্যরা সবাই বাজারে ছিলেন। সেই সুযোগে বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যা করা হয়। বাজার থেকে পরিবারের সদস্যরা রাত ১০টার দিকে বাড়িতে গিয়ে রক্তাক্ত লাশ বাসার মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাটি খুব ভয়াবহ। ওই বাড়িতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আশেপাশের লোকজন জড়ো হয়েছে।
রামগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল বারী বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে ঘাতকরা।
তার আগে গেল ১৩ মে রাতে রামগঞ্জ উপজেলার একই ইউনিয়নের কালুপুর গ্রামের একটি বাড়িতে ঘরে ঢুকে তাজিয়া বেগম (৬৫) নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।