Published : 08 Sep 2025, 04:13 PM
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা ও সুনামগঞ্জ জেলা সহসভাপতি মাওলানা মোস্তাক আহমেদ গাজিনগরী হত্যা মামলায় একই দলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার শেষরাতে সিলেট শহরের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন।
গ্রেপ্তার আব্দুল হাফিজ শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের দরগাহপুর গ্রামের আলিফ পাঠানের ছেলে এবং জমিয়তের (ওয়াক্কাস গ্রুপ) সক্রিয় নেতা। হাফিজ সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জমিয়তের মনোনয়নপ্রত্যাশী সৈয়দ তালহা আলমের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
নিখোঁজের তিন দিন পর শুক্রবার সকালে পুরাতন সুরমা নদী থেকে মোস্তাক আহমদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাজীনগর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বড় মোহা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।
এ ছাড়া মোস্তাক আহমদ সুনামগঞ্জ-৩ আসনের অপর সম্ভাব্য প্রার্থী হাম্মাদ সাদী গাজীনগরীর সমর্থক এবং নিজেও মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
এ ঘটনায় শনিবার রাতে মোস্তাক আহমদের স্ত্রী রুবি বেগম দিরাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও চারজনকে আসামি করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন বলেন, মঙ্গলবার দিরাই সড়ক থেকে নিখোঁজ হন মোস্তাক আহমেদ। তিন দিন পর শরীফপুর এলাকায় পুরাতন সুরমা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রোববার রাতে দিরাই থানা ও শাহপরান থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার হাফিজকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে মোস্তাক আহমেদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে ঢাকা, সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন জমিয়তের নেতাকর্মীরা।
জমিয়ত নেতা মোস্তাকের খুনিদের বিচারের দাবিতে উত্তাল সুনামগঞ্জ
নিখোঁজের ৩ দিন পর 'এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশীর' লাশ মিলল নদীতে