Published : 19 Mar 2026, 07:13 PM
দিনভর ভোগান্তি নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক হয়ে বাড়ি ফিরছে উত্তরাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ। দিনের শুরু থেকে দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও যানবাহনের দীর্ঘ সারি থাকলেও বিকালে দিকে তা কিছুটা কেটেছে।
এ কারণে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে এই পথ ধরে ঢাকা ও গাজীপুর অংশের মহাসড়কে খুব বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়নি যাত্রীদের। কিন্তু অতিরিক্ত যানবাহনে চাপ থাকায় এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এবং যমুনা সেতু এলাকায় কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে।
উত্তরাঞ্চলগামী বাসের যাত্রী রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকায় যানজটে আটকা পড়েছিলাম। পরে মির্জাপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে আসতে পারেছি। তারপরেও আবার কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।”

একই পথের বাসের চালক মিজান মিয়া বলেন, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এবং যমুনা সেতু টোল প্লাজা এলাকায় কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হলেও বাকি অংশে স্বাভাবিক গতিতেই এসেছেন।
সেলিনা বেগম নামের এক নারী বলেন, “ভোর রাতে চন্দ্রায় বাসের জন্য এসেছিলাম। বাস পাইলেও সিট নাই। তাই ট্রাকে যাচ্ছি। তবে যানজটে দিনটা মহাসড়কেই কেটে গেল।”
রাসেল মিয়া বলেন, “একদিকে তিন গুণ বেশি গাড়ি ভাড়া, অন্যদিকে মহাসড়কে ভোগান্তি। তারপর বাড়ি যেতে পারলে একটু ভালো লাগবে।”
এদিকে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মো. শরিফ বলেন, “ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পুলিশ কাজ করছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যানবাহনে গতি কিছুটা ধীর গতি থাকলেও দুপুরের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।”

দুপুরে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ২৫ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করে।
বুধবার রাত থেকে ৬৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করেছে। তবে বৃহস্পতিবার বেলা যত বাড়ছে যানবাহনের চাপ কমছে।
এদিকে সকালে মহাসড়কের নগরজালফৈ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার গভীর রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। কখনো আবার থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। দেড় ঘণ্টার সড়ক পার হতে সময় লাগছে ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা।