Published : 01 Jan 2024, 01:17 PM
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করে কুপিয়ে ও পিটিয়ে পাঁচজনকে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের সোনামিয়া মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার ওসি এএফএম সায়েদ।
হামলায় আহতরা হলেন- জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ ভূঁইয়া সানি, সাগর, সুজন, এনামুল হক ও নূর ইসলাম। তারা সবাই ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের কর্মী।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাইপাইল-আব্দুল্লাপুর ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।পরে পুলিশের আশ্বাসে তারা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।
হামলায় আহত সানাউল্লাহ সানি ভূঁইয়া বলেন, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে সোনামিয়া মার্কেটে ট্রাক প্রতীকের একটি নির্বাচনি ক্যাম্প রয়েছে। সেই অফিস ভাঙচুর করে রাজন ভূঁইয়া। খবর পেয়ে আমরা চারজন দুটি মোটরসাইকেলে সেখানে যাই এবং রাজন ভূইয়াকে ক্যাম্প ভাঙচুরের বিষয়ে জানতে চাই।
“তখন ঘটনাস্থলের পাশেই রাজনের ব্যক্তিগত অফিস থেকে চাপাতি, চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এবং তিন চারটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে সমর্থকরা আমাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।”
আহত কর্মীদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. এনামুর রহমানের সরাসরি নির্দেশে রাজন মেম্বারের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন সন্ত্রাসী আমার দুটি নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে। আমার কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। আমি নির্বাচন কমিশন ও অনুসন্ধান কমিটিকে বিষয়টি জানিয়েছি।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নৌকার প্রার্থী ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের এপিএস শামীম আহমেদ মোবাইলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা করেনি, শুনেছি দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যেই মারামারি হইছে। তবে প্রকৃত ঘটনা কি সেটা পুলিশই বলতে পারবে।”
এ ব্যাপারে আশুলিয়া ওসি এএফএম সায়েদ বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”