২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় বিস্ফোরণে ৪ শ্রমিক দগ্ধ

তিনজনকে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, বলেন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।

গাজীপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 28 Dec 2024, 10:11 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:12 AM

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী বিসিক শিল্প নগরীতে একটি ওষুধের কারখানায় রাসায়নিকের ড্রাম বিস্ফোরণে চার শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। আহত অবস্থায় তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে।

তাদের তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ব্রিস্টল ফার্মা লিমিটেড নামে একটি ওষুধ তৈরির কারখানায় এ ঘটনা ঘটে বলে কোনাবাড়ী মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান।

দগ্ধরা হলেন- কোনাবাড়ী থানাধীন হরিণাচালা এলাকার প্রয়াত জাহেদুল ইসলামের ছেলে রেদোয়ান আহমেদ (২৫), একই থানার বাইমাইল এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে হৃদয় আহমেদ স্বাধীন (১৭), রফিকুল ইসলামের ছেলে খালিদ আব্দুল্লাহ (১৯) এবং আরমান হোসেন (২২)। তবে আরমানের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। 

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কারখানার ওই চার শ্রমিক নামাজ পড়তে ওজু করতে যান। তখন পাশে টিন শেডের একটি কক্ষে বিদ্যুতের সুইচের পাশে রাখা একটি রাসায়নিকের ড্রাম বিস্ফোরিত হয়। এতে ওই চার শ্রমিক দগ্ধ হন। 

মডার্ন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তাদের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই কারখানার লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলেন।  

ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ওই কারখানায় মিথানলের একটি ড্রামে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জেনেছেন তারা। ওই ঘটনায় দগ্ধ চারজনকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে রেদোয়ান আহমেদের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ  হয়েছে। এছাড়া স্বাধীনের শরীরের ৫ শতাংশ, আব্দুল্লাহর শরীরের ৩০ শতাংশ ও আরমানের শরীরের ১৭ শতাংশ পুড়েছে।

 “৪৫ শতাংশ দগ্ধ ব্যক্তির অবস্থা খুব বেশি খারাপ। ৩০ শতাংশ এবং ১৭ শতাংশ পুড়েছে তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। ৫ শতাংশ দগ্ধ রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছি।”