নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো আরেক জঙ্গি গ্রেপ্তার
পালিয়ে যাওয়া নয় ‘জঙ্গির’ মধ্যে দুদিনে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া আরেক ‘জঙ্গিকে’ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের আদমজীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা।
মো. ফারুক আহমেদ (৪৩) নামে ‘আনসার আল ইসলামের এই সদস্যকে’ বুধবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার প্রেমের বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান তিনি।
নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার নুরালাপুর এলাকার প্রয়াত রফিকুল ইসলামের ছেলে ফারুক ২০২২ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২৮ মাস ধরে নরসিংদী জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।
নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া নয় ‘জঙ্গি’র মধ্যে দুদিনে মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
তানভীর মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ১৯ জুলাই কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলাকালীন কারাগারে হামলার ঘটনায় নয়জন ‘জঙ্গি’সহ ৮২৬ জন কয়েদি পালিয়ে যায়। ওইদিন কারাগারে থাকা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও খাদ্যপণ্য লুট এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পলাতক আসামিদের মধ্যে ফারুক আহমেদও ছিলেন। তিনি আরও তিন ‘জঙ্গি সদস্যের’ সঙ্গে কারাগারের চার নম্বর সেলে থাকতেন।
“২০১৩ সালে নরসিংদীর নুরালাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি হিসেবে চাকরি শুরু করেন। পরে জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িত হয়ে পড়েন তিনি। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় ২০২২ সালের ২৪ মার্চ সিলেট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯ এর একটি দল। আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে নরসিংদী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।”
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, কারাগার থেকে পালানোর পর ২০ জুলাই ঢাকায় তার বোনের বাসায় আশ্রয় নেন ফারুক। পরে সোনারগাঁয়ে এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।
