Published : 11 Apr 2026, 10:35 PM
বিশ্ব পোষা প্রাণী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বিড়ালপ্রেমীদের মিলনমেলা ও ‘ক্যাট শো’ হয়েছে।
শনিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে ‘পেট লাভার্স অফ বিএইউ’র উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।

আয়োজনে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতা, বিড়ালের প্রদর্শনী এবং র্যাম্প শো হয়। ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা পোষা বিড়াল এতে অংশ নেয়।
আয়োজকদের মতে, বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা বাড়াতে এ আয়োজন করা হয়েছে।
বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. শহিদুল হক এবং প্রক্টর মো. আব্দুল আলীম।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভেটেরিনারি অনুষদের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এম. আরিফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের পরিচালক মো. মাহমুদুল আলম।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল বিড়ালের র্যাম্প শো এবং ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতা।
পাশাপাশি বিড়ালের বিভিন্ন রোগ নিয়ে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। শেষে সেরা বিড়ালকে ‘ক্যাট অফ দ্য শো’ ঘোষণা করা হয়। দর্শকদের জন্য ছিল র্যাফেল ড্রয়ের আয়োজনও।
শোতে অংশ নেওয়া প্রতিটি বিড়ালের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। অংশগ্রহণকারীদের দেওয়া হয় টি-শার্ট, বিড়ালের নেক বেল্ট এবং স্ন্যাকস।

সভাপতির বক্তব্যে আতিকুর রহমান বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও একজন প্রাণীপ্রেমী মানুষ, তার জেবু বিড়ালকে সবাইকে চেনেন। এই প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধ মানুষের মানবিক গুণাবলির বহিঃপ্রকাশ। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার একঘেয়েমি দূর করার পাশাপাশি প্রাণিকল্যাণে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আশা করি, প্রতিবছর ‘পেট লাভার্স অফ বিএইউ’র উদ্যোগে বাকৃবির সবুজ চত্বরে পোষা প্রাণী দিবস উৎসবের সঙ্গে পালিত হবে।”

উপাচার্য অধ্যাপক ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পোষা প্রাণীর পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যে আন্তরিকতা দেখাচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা আশা করি, এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হবে। যারা বিড়ালপ্রেমী আছেন, তারা যেন প্রাণীর সঠিক যত্নে বৈজ্ঞানিক গাইডলাইন এবং পরামর্শগুলো মেনে চলেন। এতে করে পরিবারে একটি সুন্দর ও বিনোদনময় পরিবেশ বজায় থাকবে এবং মানুষের সঙ্গে প্রাণীর ভালোবাসার বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।”