Published : 22 Dec 2025, 11:49 AM
পৌষের শুরুতেই শেরপুরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। কুয়াশা, হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
দিনের বেলাতেও ঠান্ডার দাপটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ; ব্যাহত হচ্ছে কৃষিকাজ।

গত তিন ধরে টানা হিমেল বাতাসের কারণে জেলায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভব হচ্ছে। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য শীতজনিত রোগ।
সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের গণইমমিনাকান্দা গ্রামের শ্রমিক ইউসুফ আলী বলেন, “তিন দিন ধইরা কুয়াশা বাড়তি। রাস্তাঘাটে মানুষজন গাড়িঘোড়া চলতাছে দেহা যায় না।
“মানুষজন কাজকর্ম করা পাইতাছে না। দিন আনে দিন খাওয়া মানুষ কামে যাবার পাইতাছে না। তাই খাওনের ব্যবস্থা নাই, কষ্ট অইতাছে।”
একই গ্রামের আরেক বাসিন্দা সামেদুল ইসলাম বলেন, “ঠান্ডা খুব বেশি। কুয়াশা পড়তাছে। ঘর থেকে বাইর হইয়া হাঁটুন যায় না ঠিক মতন।”

শেরপুর পৌরসভার শেখহাটি গ্রামের তাজিরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে ঠান্ডা বেশি। মানুষ কাজকর্ম করতে পারে না। ঠান্ডার মধ্যে কোথাও যাওয়া যায় না। অসুখ-বিসুখ একটু বেশি হচ্ছে।”
শেখ হাটি বাজারের নৈশ প্রহরী আবুল কালাম বলেন, “শীত আইজ তিনদিন ধইরা খুব বেশি। শীত কুলাবার পাইতাছি না।
“আইতের (রাতের) বেলায় রাস্তায় নাইট ডিউটি করি। জার সহ্য করবার পাইতাছি না। শীতের কিছু কাপড় চোপড় অইলে বেশি ভাল অইত।”
এদিকে শেরপুর জেলায় কোনো আবহাওয়া অফিস না থাকায় দিন রাতের তাপমাত্রাসহ আবহাওয়ার গতিবিধির সঠিক তথ্য জানা যাচ্ছে না।