১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

খাগড়াছড়িতে কিশোর অপহরণ ও হত্যা: ‘মূল পরিকল্পনাকারী’সহ দুজন গ্রেপ্তার

মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সোহেল হত্যার এ মামলায় এখন পর্যন্ত সাতজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

খাগড়াছড়িতে কিশোর অপহরণ ও হত্যা: ‘মূল পরিকল্পনাকারী’সহ দুজন গ্রেপ্তার
মংসানু মারমা ও বাবু মারমা।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Jul 2025, 02:14 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:25 PM

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে মাদ্রাসা পড়ুয়া কিশোরকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। যাদের একজনকে ঘটনার ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ বলছে পুলিশ। 

শনিবার বিকালে উপজেলার দুর্গম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন মানিকছড়ি থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান। 

গ্রেপ্তাররা হলেন, মংসানু মারমা ও বাবু মারমা। একই ঘটনায় এর আগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, গত ৪ জুলাই রাতে মানিকছড়ি উপজেলার ছদুরখীল এলাকায় বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হয় স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র মো. সোহেল। 

এরপর অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা মোবাইলে সোহেলকে অপহরণ করা হয়েছে জানিয়ে মুক্তির জন্য পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তার পরিবারের কাছে। 

এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মানিকছড়ি থানায় মামলা করেন সোহেলের নানা আবদুর রহিম। 

মামলার পর একই উপজেলার কসম কারবারিপাড়া সম্বু কুমার ত্রিপুরা, গোরখানা এলাকার মো. মাঈন উদ্দিন ও মো. ইয়াছিন মিয়াকে আটক করে পুলিশ। 

পরে তাদের দেওয়া তথ্যে নিখোঁজের ১২ দিন পর বুধবার সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুইজন- মো. শফিউল্লাহ ও আদী কুমার ত্রিপুরাকে আটক করে যৌথ বাহিনী।

ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, এ পর্যন্ত মামলাটিতে সাতজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার নতুন করে গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে মংসানু মারমা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। 

শনিবার গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।