Published : 14 Sep 2025, 03:35 PM
পাবনা-১ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বহালের দাবিতে বেড়ায় সড়ক ও নৌপথে হরতাল-অবরোধ চলছে।
রোববার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই হরতাল চলবে বলে জানান সমর্থকরা।
তারা পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের বেড়া সিঅ্যান্ডবি মোড়ের রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেছেন। রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে হরতালের সমর্থনে মিছিলও করেন তারা।
এর ফলে সকাল থেকে বাস বা অন্য কোনো যানবাহন চলছে না সড়কে। বেড়া নগরবাড়ি ও কাজিরহাট নদী বন্দর বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
৪ অগাস্ট ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনের চূড়ান্ত সীমানার প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগে সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার একাংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন ছিল। নতুন প্রজ্ঞাপনে শুধু সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-১ আসন করা হয়েছে। আর সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে গঠন করা হয়েছে পাবনা-২ আসন।

এরপর থেকে বিক্ষোভ শুরু করে বেড়া উপজেলাবাসী। ৭ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক দুই ঘণ্টা অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা।
এর প্রতিবাদ জানায় সর্বদলীয় অন্দোলন সংগ্রাম কমিটি। শনিবার সকালে বেড়া উপজেলা সদরের সান্যালপাড়া কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে ফজলুর রহমান ফকিরের সভাপতিত্বে পাবনা-১ নির্বাচনি এলাকা পুনর্বহালের দাবিতে সভা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বেড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ইকবাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আকছেদ আলী, পৌর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সাজেদুল ইসলাম দিপু, বেড়া বণিক সমিতির প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম, রিকশা ভ্যান সমিতির সধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন খাজা, চতুরহাট বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মোল্লা।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে শুধু সাঁথিয়া উপজেলাকে নিয়ে পাবনা-১ আসন আলাদা করা হয়েছে। আর বেড়া উপজেলাকে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু বেড়া উপজেলার জনগণের ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু সাঁথিয়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত। এ কারণেই তারা আন্দোলন করছেন।