Published : 28 Nov 2025, 10:11 AM
শেরপুরে মাছের পুকুরে ইঁদুর মারা কলের ফাঁদ পেতে পাখি হত্যার অভিযোগে অভিযান চালায় সদর উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ফাঁদসহ দুজনকে আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের উত্তর মীরগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন অভিযানে নেতৃত্বে দেওয়া সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক মজনুন ইশতি।
আটকরা হলেন- ওই এলাকার মাছ চাষি সামিউল আলম (৪২) ও পাখি শিকারী আব্দুর রহমান (৭৫)।
শেরপুর শহরের মীরগঞ্জ এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে শালিক, বক, মাছরাঙাসহ বিভিন্ন পাখি শিকারের অভিযোগ উঠছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘প্রস্ফুটিত শেরপুর’ নামের একটি ফেসবুক পেইজে ওই এলাকার একটি মাছের পুকুরে কেচি ফাঁদ পেতে বক ও মাছরাঙা শিকারের দুটি ছবি প্রকাশ হয়।

বিষয়টি এক স্থানীয় সাংবাদিকের নজরে এলে তিনি তাৎক্ষণিক সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভুঁইয়াকে বিষয়টি অবহিত করেন। তার নির্দেশে এ অভিযান চালানো হয়।
সহকারী কমিশনার ইশতিয়াক মজনুন ইশতি বলেন, অভিযানের সময় সামিউল আলমের মাছ চাষের পুকুরের মাঝখানে বাঁশের খুঁটিতে লাগানো ইঁদুর মারা কলের ফাঁদ পাওয়া যায়। সেখান থেকে একটি মাছরাঙা ও একটি বক পাখির মরদেহও জব্দ করা হয়। ঘটনাস্থলেই পুকুরের ইজারাদার সামিউল আলমকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাখি শিকারী আব্দুর রহমানকেও আটক করা হয়।
তিনি বলেন, আটকরা প্রথমবার ফাঁদ পেতে পাখি শিকারের কথা স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। ভবিষ্যতে আর এ ধরনের অপরাধ করবে না-এ মর্মে মুচলেকা দেওয়ায় তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বন্যপ্রাণী ও পাখি সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান চলবে।