Published : 27 Jan 2026, 01:31 PM
নির্বাচানি প্রচারাভিযানে মঙ্গলবার গাজীপুর যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি।
২০ বছরেরও বেশি সময় পরে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে জেলাজুড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বিভিন্ন স্থানে চলছে প্রস্তুতি সভা, মিছিল এবং সাংগঠনিক তৎপরতা। পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সবশেষ ২০০৫ সালের ২৯ মার্চ তিনি গাজীপুরে শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেছিলেন তিনি।
গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, “মঙ্গলবার তারেক রহমান প্রথমে ময়মনসিংহ যাবেন। এরপর গাজীপুরের কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।”
ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল বলেন, “২০ বছর ৯ মাস ২৮ দিন পর তারেক রহমান গাজীপুরে আসছেন। ২০০৫ সালের ২৯ মার্চ তিনি গাজীপুরে শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।
“ওই প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মরহুম আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া।”
তিনি বলেন, “ওই প্রতিনিধি সভায় ঢাকা, মানিকগঞ্জ ও গাজীপুরের ইউনিয়ন পর্যায়ের দুই সহস্রাধিক প্রতিনিধিসহ প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তখন তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন।

“বিএনপির তৎকালীন ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ছিলেন ওই প্রতিনিধি সভার সমন্বয়কারী।”
তারেক রহমানের জনসভাকে সফল করার জন্য সোমবার বিকালে সমাবেশ স্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
তারা মঞ্চ নির্মাণ, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন।
নেতাকর্মীরা বলছেন, তাকে রহমানের জনসভা সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও সফল করতে মহানগর বিএনপিকে সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আলাদা শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরেই গাজীপুরের কালিয়াকৈর, কালীগঞ্জ, কাপাসিয়া, শ্রীপুর ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিভিন্ন বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা জনসভা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা করেছেন।

বিএনপি নেতা কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল বলেন, “দীর্ঘ ২০ বছর পর তারেক রহমান ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে জনসভায় ভাষণ দেবেন। এটি শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, গাজীপুরবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।”
“তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা দেশের উন্নয়নের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ। কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব দূরীকরণ ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন নিয়ে গাজীপুরের জনসভায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন।”
তিনি বলেন, “ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠ বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানে জনসভা আয়োজন দলীয় ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতার প্রতীক।”