Published : 22 May 2026, 12:14 AM
কম্পিউটারের কাজ ও উচ্চ বেতনের আশায় কম্বোডিয়া গিয়ে প্রতারণার শিকার বাংলাদেশি এক নারীর দেশে ফেরার ব্যবস্থা করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসীকল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী আরফুল হক চৌধুরীর তৎপরতায় ওই নারীর দেশে ফেরার ব্যবস্থা হয়েছে। দূতাবাসের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ওই নারী দেশে ফেরত আসবেন।
২০২৫ সালের অগাস্টে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওই নারী কম্বোডিয়ায় যান। সেখানে যাওয়ার পর দালালরা পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে তাকে একটি ‘স্ক্যাম সেন্টারে’ বন্দি করে রাখে।
সেখানে তাকে দিয়ে নানা ধরনের আর্থিক জালিয়াতি, মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মতো কাজ করানো হতো। সেখান থেকে একাধিকবার চেষ্টা করেও তিনি পালাতে ব্যর্থ হন।
অবশেষে বুধবার দালালদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘স্ক্যাম সেন্টার’ থেকে পালিয়ে অজানা জায়গায় আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে দেশে ফিরতে সহযোগিতা চান।
পরে মন্ত্রী ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই নারীকে সহযোগিতার নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী দূতাবাস থেকে ওই নারীর সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ করে তার অবস্থান নিশ্চিত হন কর্মকর্তারা।
পরে কম্বোডিয়ায় থাকা বাংলাদেশিদের সহায়তায় দেশটির রাজধানী নমপেন থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
বর্তমানে কম্বোডিয়া সরকারের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে ওই নারীকে বাংলাদেশ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে তথ্য দিয়েছে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাস।