সাবেক এমপির বাসা থেকে গ্রেপ্তার ১৪ জন রিমান্ড শেষে কারাগারে
শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ১৫ জনকে ধরার কথা জানায় পুলিশ।
বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার ‘ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মীকে’ রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই হেলাল উদ্দিন এ তথ্য দিয়েছেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন, মো. ইয়াকুব হোসাইন রাজিব, আরাফাত মিয়া, রিফাত হাওলাদার, হৃদয় হাসান, ফাহিম, রাজিব হোসেন রানা, মো. ফিরোজ, মো. আরিফ, মো. ওমর ফারুক, আব্দুল্লাহ আল আমান, আব্দুল্লাহ আল নোমান, সোহানুর হোসেন শাহিন, মো. হাসিব ও হাসিব মিয়া।
২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে বরগুনা-২ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বাসায় অভিযান চালিয়ে এই ১৪ জনকে ধরার কথা জানায় পুলিশ।
পরের দিন ফারজানা নামে এক আসামির এক দিন এবং বাকি ১৪ আসামির তিন দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। বুধবার ফারজানাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।
শুক্রবার এই ১৪ আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই ইকবাল হোসেন।
হেলাল উদ্দিন বলেন, "১১ আসামির জামিন আবেদন করা হয়। তিনজনের পক্ষে জামিন আবেদন ছিল না। আদালত ১১ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে পরে ১৪ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।"
মামলায় বলা হয়, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার ৭ নম্বর সেক্টরে বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদক শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বাসায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা রাষ্ট্রকে ‘অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে’ ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের প্রস্তুতি নেয়।
সেখানে অভিযানের সময় অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২২ জন আসামি পালিয়ে যায় বলে এজাহারে লেখা হয়েছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার এ মামলায় বলা হয়, বাসায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিরা ইউনিয়ন কমিটির পদপ্রার্থী বিশ জনের নাম ও জীবন বৃত্তান্ত লেখা ২০টি পাতা পাওয়া যায়।
