Published : 01 Feb 2026, 10:47 PM
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে দেওয়া ‘নারী বিদ্বেষী’ পোস্ট ঘিরে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে; আলোচনা-সমালোচনা ডালাপালা মেলেছে অন্যত্রও।
ওই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তর্ক-বির্তক আর সরব আলোচনার মধ্যে ঢাকায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে জাতীয়তবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটি বিক্ষোভ করেছে রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও। ওই বক্তব্যকে দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি।
অপরদিকে জামায়াত দাবি করেছে, দলীয় প্রধানের এক্স অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাক করে’ ওই পোস্ট দেওয়া হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছে দলটি।
শফিকুর রহমানের এক্স হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত একটি পোস্ট শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে জামায়াতে ইসলামে নারী নেতৃত্ব এবং কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
ওই পোস্টে বলা হয়, “নারী প্রশ্নে জামায়াতের অবস্থান বিভ্রান্তিকর বা কুণ্ঠাবোধের নয়, বরং নীতিগত। নারীদের নেতৃত্বে আসা উচিত, এটা আমরা বিশ্বাস করি না। জামায়াতে এটা অসম্ভব। আল্লাহ এটা অনুমোদন করেননি।
“আমরা বিশ্বাস করি, আধুনিকতার নামের নারীদেরকে ঘরের বাইরে ঠেলে দেওয়া হলে তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়। এটা পতিতাবৃত্তি ছাড়া কিছু নয়।”
ওই পোস্টের স্ক্রিনশট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পরে শনিবার রাতেই হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। দলের প্রধান শফিকুরের ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেল ‘হ্যাক করে’ ওই পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে সেখানে অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ফেইসবুকে প্রকাশিত জামায়াতের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “অত্যন্ত সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করে হামলাকারীরা সাময়িকভাবে জামায়াতের আমিরের এক্স অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপ ও বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে দলের সাইবার টিম অল্প সময়ের মধ্যেই অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে সক্ষম হয়।

“এই স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট প্রকাশিত হয়। পোস্টে জামায়াতের আমিরের নামে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, এই পোস্ট বা কনটেন্ট জামায়াতের আমিরের কোনো বক্তব্য, মতামত বা অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।”
দিন কয়েক আগে আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বে নারীদের উঠে আসার সুযোগ না থাকার বিষয়ে শফিকুরের বক্তব্যের কয়েকদিনের মাথায় এক্স পোস্টে আসা এ বক্তব্য সামনে এলে তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
কাতারভিত্তিক ওই সংবাদমাধ্যমের করা এক প্রশ্নে তিনি বলেছিলেন, কোনো নারী কখনো তার দলের আমির হতে পারবেন না, কেননা তার ভাষায়, আল্লাহ নারীদের ‘সেভাবে’ সৃষ্টি করেননি এবং এটা ‘পরিবর্তনযোগ্য নয়’।
তার দাবি, আসন্ন নির্বাচনে কোনো দলই ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক’ নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি, কারণ এটা ‘বাংলাদেশের একটি সাংস্কৃতিক বাস্তবতা’ এবং বেশির ভাগ দেশই নারী নেতৃত্বকে ‘বাস্তবসম্মত মনে করে না’।
বিক্ষোভ-ঝাড়ু মিছিল
জামায়াতের আমিরের নামের এক্স অ্যাকউন্ট থেকে প্রকাশিত ওই পোস্টে নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
এ ঘটনায় রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঝাড়ু মিছিল করেছে একদল নারী শিক্ষার্থীও।

রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টিএসসি হয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এসে সমাবেশ করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
এসময় ‘শফিক তুই জানিস নাকি, দেশের শক্তি অর্ধেক নারী’, ‘এমন হ্যাকার করল হ্যাক, বেশ্যা ডেকে আইডি ব্যাক’, ‘শফিক তুই ক্ষমা চা, নারী নয় পতিতা’- এমন সব স্লোগান দেওয়া হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “আমাদের এই প্রতিবাদের বক্তব্য হল, তাকে (জামায়াত আমির) অবশ্যই, অবশ্যই এই নারীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
“যদি ক্ষমা না চান, আমরা আবারো বৃহত্তর কোনো কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।”
তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলাম রাজনৈতিকভাবে এই বাংলাদেশে যদি সামান্যতম শক্তি অর্জন করে, এটি শুধুমাত্র নারীসমাজ নয়, এই বাংলাদেশের সবকিছুর জন্য হুমকিস্বরূপ।”
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, “অনেকে বলেন, ওনার আইডি নাকি হ্যাক হয়েছে। আমরা বলছি ওনার মাথা আসলে হ্যাক হয়েছে এবং ওনার মুখোশ উনি নিজেই উন্মোচন করেছেন।”
জামায়াতের আমির এর আগে তিনবার নির্বাচন করেছেন তুলে ধরে তিনি বলেন, সবমিলিয়ে ৪১ হাজার ভোট পেয়েছেন।
“এখন দেখেছেন যে তার এলাকার জনগণ তাকে আর গোনে না; সেজন্য তিনি ঢাকায় এসে ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচন করছেন।”

হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক, প্রশ্ন বিএনপির
জামায়াত আমিরের এক্স আইডি থেকে প্রকাশিত ‘নারীবিদ্বেষী’ পোস্টের জন্য দলটি ‘হ্যাকারদের’ দায়ী করলেও তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে বিএনপি।
দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, "সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন ওঠে যে, নারীবিদ্বেষী পোস্টের প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সমালোচনার মুখে, রাত ১টার দিকে আইডি হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক?”
তিনি বলেন, “তার (জামায়াত আমির) ভেরিফায়েড এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে নারীদের উদ্দেশ্য করে যে নোংরা, জঘন্য ও অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছেন বলে দেশব্যাপী যে আলোচনা চলছে, সেটি সঠিক হলে এর মাধ্যমে পুরো সমাজব্যবস্থাকে মধ্যযুগীয় অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার প্রচেষ্টা বলে মনে করি।
“তিনি তার এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টের পোস্টে গতকাল তথা ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে যা লিখেছেন, তার একটি অংশ অনুবাদ করলে দাঁড়ায়, 'আমরা বিশ্বাস করি যে যখন মহিলাদের আধুনিকতার নামে ঘর থেকে বের করা হয়, তখন তারা শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয় এটি অন্য কোনো রূপে পতিতাবৃত্তির মতই।’”
কয়েক দিন আগে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির বলেছিলেন, তার দলের শীর্ষ পদে কখনো কোনো নারী যেতে পারবেন না, কেননা তার ভাষায়, আল্লাহ নারীদের নেতৃত্ব দেবার মত করে তৈরি করেননি।
ওই সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দিয়ে মাহদী আমিন জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্ট এবং অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যাওয়ার দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তিনি বলেন, “আমরা সবাই জানি, কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হল দ্রুততম সময়ে জনগণকে অবহিত করা, যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায় এবং সবাই সতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু এখানে দেখা গেল, জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর হঠাৎ করে হ্যাকিংয়ের দাবি তোলা হয়েছে।
“এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এই দাবি কতটা বিশ্বাসযোগ্য? এমনকি ওই সময়ের মধ্যে জামায়াত আমিরের ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে অনেক পোস্ট হয়েছে, যার মধ্যে আমরা তার এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার কোনো পোস্ট দেখতে পাইনি।”

’হ্যাক’: কী বলছে জামায়াত
নারী বিদ্বেষী ওই পোস্ট ঘিরে যারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তাদেরকে এর সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রধান শফিকুর রহমান।
রোববার দুপুরে শেরপুর শহরের দারোগালি মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, “আমি আমার মায়েদের কীভাবে সম্মান করি, আমার মায়েরা তার সাক্ষী, বাংলাদেশের ৯ কোটি মা তার সাক্ষী। আমার টুইটার যেটাকে এখন এক্স বলা হয়, এই অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ১৫ ঘণ্টা আগে মায়েদের নিয়ে অত্যন্ত বাজে, অরুচিকর, কুরুচিপূর্ণ একটা বক্তব্য দিয়ে দিয়েছে।
“একটা দল দেখলাম যে হইহই রইরই করে মিছিল শুরু করে দিছে। যারা মায়েদের সম্মান করতে জানে না, তারা এখন মিছিল শুরু করে দিল। মানে এই কাজ কে করেছে, ঠাকুরঘরে কে, আমি কলা খাই না।”
শফিকুর বলেন, “একেবারেই ইতরশ্রেণি না হলে এই কাজ কেউ করতে পারে না। আরে ভাই, আমার বক্তব্য, আমার কর্মসূচি, আমার পরিকল্পনাকে তুমি তোমার বক্তব্য, আদর্শ, কর্মসূচি, পরিকল্পনা দিয়ে মোকাবিলা করো। এই চোরাই পথে, নোংরা পথে কেন?
“আলহামদুলিল্লাহ, সাত ঘণ্টা পরে এখন আমার অ্যাডমিনের কন্ট্রোলে আবার এটা ফিরে এসেছে। ওই ঘটনার পর এতে সাময়িক যদি কোনো মা, ওদের অপতথ্যের কারণে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাই।”
‘ষড়যন্ত্রমূলকভাবে’ জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে বলে এদিন সংবাদ সম্মেলনেও অভিযোগ করেছেন দলের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি বলেন, “এখানে একটা গভীর ষড়যন্ত্র আছে। জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তারা কিছু খারাপ ও আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে। এতে বোঝা যায়, ঠাকুরঘরে কে রে, আমি কলা খাইনি। কিছু লোক তাৎক্ষণিক কর্মসূচি দিয়েছে। জামায়াতের আশঙ্কা, এ কাজের সঙ্গে বিশেষ একটি দল বা তাদের সাইবার টিমের কিছু চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকারী জড়িত আছে।”
ওই সংবাদ সম্মেলনে ‘হ্যাকের’ বিষয়ে দলীয় বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্য দেন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান।
সিরাজুল বলেন, জামায়াত আমিরের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে শনিবার বিকাল ৪টায় সর্বশেষ পোস্ট করা হয়েছিল। এরপর সেটি ‘হ্যাক করে’ ৪টা ৩৭ মিনিটের দিকে একটি আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছে। এটি জামায়াত জানতে পারে বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটের দিকে।
“এরপর ৫টা ৯ মিনিটের দিকে অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা হয় এবং ৫টা ২২ মিনিটে একটা প্রতিবাদলিপি দিয়ে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে। এরপর দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে জিডি করেছে জামায়াত।”
শুধু দলের আমির নয়, জামায়াতের বেশ কয়েকটি পেইজের ওপরে কিছুদিন ধরে সাইবার হামলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিরাজুল।
একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাকের’ একটি বর্ণনা দিয়ে মাহমুদুর বলেন, বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করা হয়। সেটি দেখতে পেয়ে ৫টা ৯ মিনিটে অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড বদল করা হয়েছে।
বিকাল ৪টা ৫৩ মিনিটের দিকে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকেও একই ধরনের পোস্ট দেওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একসঙ্গে দুটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে।
জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটি দেওয়ার এক থেকে দুই মিনিটের মধ্যে স্ক্রিনশট নিয়ে সেটি পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পরে প্রকাশ করার কথা বলেন মাহমুদুর।
তিনি বলেন, এটি ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে’ করা হয়েছে। তবে আমিরের অ্যকাউন্ট থেকে পোস্ট করার আধা ঘণ্টার মধ্যেই জামায়াত বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, আইডি হ্যাক করা হয়েছে।
মাহমুদুর বলেন, বঙ্গভবনকর্মীর সরকারি মেইল [email protected] ব্যবহার করে স্যাবোটাজ করে জামায়াতের মেইলে একটি ফাইল পাঠিয়েছে। যেখানে নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য আছে বলে একটা ফাইল অ্যাটাচ করা ছিল।
ওই ইমেইলের ব্যবহারকারী মোহাম্মদ সরোয়ার আলম নামে এক কর্মকর্তা হলেও অন্য কেউও সেটির দখল নিয়ে এই কাজ করতে পারে বলে ধারণা দেন তিনি।
তিনি বলেন, “কিছুদিন ধরে জামায়াতের পেজগুলোয় এ ধরনের অনেকগুলো আক্রমণ চালানো হয়েছে। সরকারি মেইল ব্যবহার করে জামায়াতের অফিশিয়াল কিংবা ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের মেইল কীভাবে ফিশিং করার চেষ্টা করা হয়েছে, সেটি জানতে চেয়ে সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিলে আবেদন জমা দেওয়া হবে।”
‘নারীবিদ্বেষী’ পোস্ট: জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক, প্রশ্ন বিএনপির