Published : 18 Apr 2026, 07:20 PM
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সহযোগী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনকে আহ্বায়ক ও যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতুকে সদস্য সচিব করে নারীশক্তির এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার তথ্য শনিবার দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ‘নির্দেশ ও অনুমোদনক্রমে’ নারীশক্তির এই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য শীর্ষ পদের মধ্যে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন সানজিদা বুশরা মিশমা ও মুখ্য সংগঠকের পদে এসেছেন জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নুসরাত তাবাসসুম।
পাঁচ যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন—হাফসা জাহান, নাবিলা তাসনিদ, খন্দকার খালেদা আক্তার, আশরেফা খাতুন ও মুনা হাফসা।
সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন মঞ্জিলা ঝুমা।
ছয় যুগ্ম সদস্য সচিব পদে আছেন—দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, নাহিদা বুশরা, কাজী আয়েশা আহমেদ, নীলা আফরোজ, মাহমুদা রিমি ও ইসরাত জাহান বিন্দু।
যুগ্ম মুখ্য সংগঠকের সাতটি পদে এসেছেন ইশরাত জাহান, উরসী মাহফিলা, সাদিয়া আফরিন, জয়ন্তী বিশ্বাস, সোনিয়া লুবনা, নাফিসা মুশতারী ও নাদিয়া ইসলাম মিম।
এছাড়া সংগঠক পদে আছেন রেহনুমা রুমা, ফারজানা আক্তার, মনি মুক্তা, সেজুতি আক্তারসহ ৩০ জন।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনাকে হটানোর আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা নেতাদের গড়া এনসিপির আত্মপ্রকাশ ঘটে গেল বছর ফেব্রুয়ারিতে। প্রায় এক বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট বেঁধে ছয় আসনে জয় পায় দলটি।
‘এনসিপি থেকে সরে গিয়েও কমিটিতে’
এনসিপির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেও জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটিতে নিজের নাম থাকার অভিযোগ তুলেছেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী।
শনিবার ফেইসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আজ ১৮ এপ্রিল প্রকাশিত এনসিপির নারী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে নিজের নাম দেখে বিষ্মিত। উক্ত কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নাই এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল পদ থেকে পদত্যাগ করেছি এবং পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেছি।”
এর আগে তিনি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সংগঠক ও পরে এনসিপির সহযোগী সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদে ছিলেন।