Published : 13 Nov 2025, 07:41 PM
গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে গুলশান থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সদস্য ইস্কান্দার মির্জা শামীমকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম জি. এম ফারহান ইশতিয়াক।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই লিপন কুমার বসাক ইস্কান্দার মির্জাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।
বুধবার রাত পৌনে ১টার দিকে গুলশান-২ এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা ইস্কান্দার মির্জাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের পর থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গার নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের (আওয়ামী লীগ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হয়ে ইস্কান্দার মির্জা তাদের দেওয়া কর্মসূচি পরিকল্পনাসহ বাস্তবায়নে সহায়তা করে থাকেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি বিভিন্ন ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত আছেন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বুধবার রাত থেকে দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি করার জন্য ইস্কান্দার মির্জা তার ব্যবহৃত ফেইসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপস ব্যবহার করে তার কর্মীদের বিভিন্ন যানবাহনে আগুন দেওয়ার যেসব পরিকল্পনা ও সংবাদ বার্তা আদান প্রদান করেন সেই তথ্য পাওয়া যায়। ইস্কান্দর মির্জা শামীম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের অর্থসহ সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন।
মামলায় এর গত ১০ নভেম্বর তার নির্দেশে অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের সহায়তায় গুলশানের শাহাজাদপুর বাশতলার সামনে একটি বাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ আনা হয়।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ইস্কান্দার মির্জা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের অর্থ দিয়ে এবং প্ররোচনায় দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। তিনি ও তার সহযোগীরা গাড়িতে আগুন দিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে।
এসব অভিযোগে গুলশান থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।