বিএনপির আয়ে ফের ধস
খরচ না কমলেও ২০২৩ সালে বিএনপির আয় কমেছে ৮১ শতাংশ।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর টানা তিন বছর বিএনপির আয়ে ছিল মন্দাভাব, মাঝে ২০২২ সালে উল্লম্ফন হলেও পরের বছর ফের ধস নেমেছে দলটির আয়ে।
নির্বাচন কমিশনে সোমবার ২০২৩ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়েছে বিএনপি। সেখানে দেখা গেছে, ২০২২ সালের তুলনায় গত বছর দলটির আয় কমেছে ৮১ শতাংশ।
বিএনপি গত বছরের আয় দেখিয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ১৫১ টাকা। ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৬৫ লাখ ২৩ হাজার ৯৭০ টাকা।
২০২২ সালে বিএনপির আয় দেখানো হয় ৫ কোটি ৯২ লাখ ৪ হাজার ৬৩২ টাকা। ব্যয় হয় ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮০৩ টাকা।
তার আগে কোভিডের মধ্যে ২০২১ সালে ৮৪ লাখ টাকা, ২০২০ সালে সোয়া ১ কোটি টাকা এবং ২০১৯ সালে ৮৭ লাখ টাকা আয় দেখায় দলটি।
সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিমের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য বিজন কান্তি সরকার ও সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু তাদের গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী জমা দেন। এতে দলের ক্ষতি দেখানো হয় ২ কোটি ৫৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮১৯ টাকা।
আয়ের উৎসের ব্যাপারে বিএনপি বলেছে, নির্বাহী কমিটির চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান, ব্যাংকের সুদ হিসাব থেকে দলের আয় হয়েছে। অপরদিকে অফিস স্টাফদের বেতন, বিভিন্ন পোস্টার এবং লিফলেট ছাপানো, অফিসের ইউটিলিটি বিল, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, ইফতার পার্টি ও গুম, খুন হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা বাবদ ব্যয় হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪৪টি। আইন অনুযায়ী পর পর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।
২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর থেকে প্রতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বীকৃত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করে ইসিতে জমা দেয় রাজনৈতিক দলগুলো।
পুরনো খবর-
