Published : 29 Jul 2024, 08:35 PM
একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর টানা তিন বছর বিএনপির আয়ে ছিল মন্দাভাব, মাঝে ২০২২ সালে উল্লম্ফন হলেও পরের বছর ফের ধস নেমেছে দলটির আয়ে।
নির্বাচন কমিশনে সোমবার ২০২৩ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়েছে বিএনপি। সেখানে দেখা গেছে, ২০২২ সালের তুলনায় গত বছর দলটির আয় কমেছে ৮১ শতাংশ।
বিএনপি গত বছরের আয় দেখিয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ১৫১ টাকা। ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৬৫ লাখ ২৩ হাজার ৯৭০ টাকা।
২০২২ সালে বিএনপির আয় দেখানো হয় ৫ কোটি ৯২ লাখ ৪ হাজার ৬৩২ টাকা। ব্যয় হয় ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮০৩ টাকা।
তার আগে কোভিডের মধ্যে ২০২১ সালে ৮৪ লাখ টাকা, ২০২০ সালে সোয়া ১ কোটি টাকা এবং ২০১৯ সালে ৮৭ লাখ টাকা আয় দেখায় দলটি।
সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিমের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য বিজন কান্তি সরকার ও সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু তাদের গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী জমা দেন। এতে দলের ক্ষতি দেখানো হয় ২ কোটি ৫৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮১৯ টাকা।
আয়ের উৎসের ব্যাপারে বিএনপি বলেছে, নির্বাহী কমিটির চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান, ব্যাংকের সুদ হিসাব থেকে দলের আয় হয়েছে। অপরদিকে অফিস স্টাফদের বেতন, বিভিন্ন পোস্টার এবং লিফলেট ছাপানো, অফিসের ইউটিলিটি বিল, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন, ইফতার পার্টি ও গুম, খুন হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা বাবদ ব্যয় হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪৪টি। আইন অনুযায়ী পর পর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।
২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর থেকে প্রতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আয়-ব্যয়ের হিসাব স্বীকৃত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করে ইসিতে জমা দেয় রাজনৈতিক দলগুলো।
পুরনো খবর-