Published : 11 May 2026, 07:57 PM
ঘটনার সূত্রপাত ২১ এপ্রিল, চট্টগ্রামের সিটি কলেজে। জুলাই আন্দোলনের সময় ক্যাম্পাসের একটি ভবনে আঁকা গ্রাফিতিতে লেখা ছিল, ‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’। ওই গ্রাফিতিতে ছাত্রদলের কলেজ শাখার নেতাকর্মীরা ‘ছাত্র’ শব্দটি মুছে দিয়ে সেখানে ‘গুপ্ত’ লিখে দেন। অর্থাৎ স্লোগানটি দাঁড়ায়: ‘গুপ্ত রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’। এরপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ওই গ্রাফিতিটি ভিডিও করে ফেইসবুকেও ছড়িয়ে দেন। এই ঘটনার সূত্র ধরে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়।
এর জের ধরে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুদিন পর রুয়েটে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। এখানেও ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বন্ধের দাবি জানিয়ে ছাত্রদলের দেয়াল লিখনের প্রতিবাদে ‘সাধারণ ছাত্ররা’ বিক্ষোভ করে। অভিযোগ আছে, যারা সাধারণ ছাত্রছাত্রীর ব্যানারে এসব বিক্ষোভ করেছে, তারা মূলত ছাত্রশিবিরের কর্মী। বিগত সরকারের আমলে সরকারি দলের ছাত্রসংগঠনে নিজেদের গুপ্ত রেখে রাজনীতি করার অভিযোগ রযেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে। কাজেই গুপ্ত বললে শিবিরের গায়ে লাগার কথা, কিন্তু লাগছে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’দের। তবে কি সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘ছাত্ররাজনীতি চাই না’ স্লোগান শিবিরের ‘গুপ্ত’ রাজনীতির পুরনো কৌশলেরই অংশ?
এসবের শুরু অবশ্য আরও আগে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুয়েটে কী ঘটেছিল মনে আছে নিশ্চয়ই? ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’দের মধ্যে (তখন তাদের ব্যানার ছিল ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’) দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। সেই সংঘাতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়, তৎকালীন উপাচার্যকে পদ ছাড়তে হয়েছিল। ওই ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বড় করে সামনে আসে একটি প্রশ্ন—বৈষম্যবিরোধীর নামে যা চলছে, সেটি তো রাজনীতিই। তারা যদি ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি করতে পারে, তাহলে ছাত্রলীগ বা অন্যরা কেন পারবে না? পরবর্তীতে সেই বৈষম্যবিরোধীরা যখন প্রথমে ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’ এবং এখন ‘ছাত্রশক্তি’ নামে আবির্ভূত হলো, যেটি মূলত এনসিপির ছাত্র সংগঠন; তখন সেই প্রশ্নের যৌক্তিকতা নিয়ে আর কোনো সংশয় থাকেনি।
গত কয়েক দিনে তিতুমীর, বদরুন্নেসা ও ইডেন কলেজেও একই দৃশ্য দেখা গেছে। মধ্যরাতে হুট করে ছাত্রীদের হল থেকে ‘ছাত্ররাজনীতি চাই না’ দাবি করে মিছিল বের করা হয়েছে। কিন্তু ‘জুলাই–অগাস্টের প্রতারণার’ পর এবার আর তারা সাধারণ মানুষের সমর্থন সেভাবে তো পাচ্ছেনই না; বরং অনেকেই এসব নিয়ে হাসাহাসি করছে। ছাত্রীদের পোশাক ও মিছিলের ধরন দেখে অনেকেই সন্দেহ করছে যে, এরা মূলত জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রীসংস্থার সদস্য।
‘জুলাই–অগাস্টের প্রতারণা’ কেন লিখলাম, তা নিয়ে কিছু না বললে অযথা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে এবং তার জন্য যেতে হবে আরও পেছনে।
জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও হলে ‘ছাত্ররাজনীতি মুক্ত’ ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এসব দেখে দেশের সাধারণ মানুষ আশান্বিত হয়েছিল। এর পেছনে কারণ ছিল—ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্ররাজনীতির নামে দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি, চাঁদাবাজি, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর জোরজবরদস্তি, গেস্টরুম কালচার, আবাসিক হলে সিট বাণিজ্য। ফলে যখন বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও হলকে ছাত্ররাজনীতি মুক্ত ঘোষণা করা হচ্ছিল, মানুষ আশাবাদী হয়েছিল। সেই আশা অবশ্য প্রতারণায় রূপ নিতে বেশি সময় নেয়নি।
অগাস্টের ৫ তারিখের পর সাধারণ ছাত্রের নামে যারা হল দখল নিয়েছিল, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ব্যাচ প্রতিনিধি নিয়োগ করছিল—পরবর্তীতে তাদের প্রায় সবাই বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী প্যানেল’ নামের জোট থেকে নির্বাচন করেছে, যা মূলত ছাত্রশিবিরেরই প্যানেল বলে মনে করা হয়। অভিযোগ আছে, অগাস্টের ৫ তারিখ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ছত্রচ্ছায়ায় তারা সংঘবদ্ধ হয়েছেন, যার সুবিধা নিয়েছেন ছাত্রসংসদ নির্বাচনে। সেসব নির্বাচনে ক্যাম্পাসের ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা’ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বাদ দিয়ে দলীয় প্রার্থীদেরকেই ভোট দিয়েছে। তাহলে ‘রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাসের’ গল্প কোথায় গেল?
এ প্রসঙ্গে সে সময়কার ছাত্রনেত্রী উমামা ফাতেমার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করা যেতে পারে। সপ্তাহ দুয়েক আগে উমামা ফেইসবুকে লিখেছেন, “হলে হলে ছাত্র প্রতিনিধি বানানোর ফরমান এসেছিল মূলত উপাচার্যের কাছ থেকে। ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি ও বর্তমান ডাকসুর ভিপি তখনও ‘সাধারণ ছাত্র’ মুখোশ থেকে বের হননি। তিনি ভিসির সঙ্গী হয়ে প্রতি হলে যাচ্ছিলেন এবং ছাত্রদের কাছে হলের সব সমস্যা শুনতেন। এরপর ভিসি স্যার ছাত্র প্রতিনিধি তৈরির পরামর্শ দিতেন। ছাত্র প্রতিনিধি তৈরির সময় বলা হতো হলের ছাত্রীদের অসুবিধা নিয়ে স্যারের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার্থে ১০ জনের এই কমিটি তৈরি হচ্ছে। মজার বিষয়, এরাই পরে ডাকসু নির্বাচনে গিয়ে শিবিরের প্যানেলের সফট সাপোর্টার হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং ‘শিবির জিতে আসলে হলে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে’—এমন একটি ন্যারেটিভ তৈরি করে। এভাবে একদিকে ক্যাম্পাসকে সুকৌশলে শিবিরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, অপরদিকে বাইরে ‘ভালো মানুষের’ মুখোশ পরে থাকা গেছে।”
উমামার এই অভিযোগ ভয়াবহ, যেখানে প্রশাসনের ছায়ায় ৫ অগাস্ট পরবর্তীতে কীভাবে একটি বিশেষ ছাত্রসংগঠন বেনামে একক আধিপত্য বিস্তার করেছে তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। শুধু উমামা নন, ইডেনের ঘটনার পর অসংখ্য শিক্ষার্থী একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, এই মুহূর্তে যদি তিতুমীর, ইডেন কিংবা বদরুন্নেসার মতো কলেজগুলোতে ছাত্রসংসদ নির্বাচন দেওয়া হয়, তাহলে দেখা যাবে—যারা এখন ‘ছাত্ররাজনীতি চাই না’ বলে মিছিল করছে, তারাই সেখানে ছাত্রশিবিরের হেয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এখন তারা ঢেকে-ঢুকে মিছিল করলেও, তখন এসব আর থাকবে না।
শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করছে যে, তাহলে কি এটি গুপ্ত রাজনীতির ছায়ায় থেকে স্পষ্ট প্রতারণা নয়? কেউ কেউ লিখছেন, নিজেদের ক্যাম্পাসে নিজেদের দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করতে গেলে পরিচয় আড়াল করতে হবে কেন? কেউ ছাত্ররাজনীতি করতে না চাইলে করবে না। সে হলে থাকবে, নিজের কক্ষে থাকবে। কেউ তাকে জোরজবরদস্তি করলে সে প্রতিবাদ বা অভিযোগ করতে পারে। কিন্তু তা না করে অন্যের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করার দাবিতে মিছিল বের করবে কেন? তাকে তো কেউ জোর করে রাজনীতিতে ডাকছে না কিংবা বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধও নয়।
জুলাইয়ে ‘ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ’ ঘোষণা এবং তার আড়ালে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চর্চার গোটা প্রক্রিয়াটি মানসুরা আলমের কথায় ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। মানসুরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেত্রী এবং সম্প্রতি বিএনপির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
মানসুরা বলছেন, “জুলাইয়ে মেয়েদের হল থেকে তালা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসার যে বাঁধভাঙা জোয়ার, সেটিকে তখন সারাদেশের মানুষ সমর্থন দিয়েছে, কারণ তার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। কিন্তু এরপর যতবার তালা ভেঙে বের হয়েছে, ততবারই নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সার্ভ করতে তারা এসেছে।” মানসুরার মতে, এই গুপ্ত রাজনীতি মেয়েদের রাজনীতিতে আসার পথ সংকুচিত করছে।
তিনি আরও লিখেছেন, “রাজনীতিতে মেয়েদের অংশগ্রহণ কেন কম, কেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী মনোনয়ন পান না—সেই মানসিকতা বুঝতে এই তালাভাঙা পার্টিকে দেখতে হবে। তারা নিজেরাও জানে না যে তারা কী চায়, কিন্তু আরেকজন ক্ষমতায়িত হোক—এটা তারা চায় না।” মানসুরার মতে, গুপ্ত সংগঠনের নারীদের রাজনীতিবিরোধী অবস্থানই এর জন্য দায়ী। “এরা মেয়েদের রাজনীতি চায় না, কিন্তু বড় বড় আয়োজন করে জাকাতের টাকায় ‘গিফট’ দিয়ে বেড়ানোকে নিজেদের রাজনীতি মনে করে। আর কথায় কথায় ‘রাজনীতি চাই না’ দাবি তোলে—এটা চলতে পারে না।”
গত দুই বছরে ‘গুপ্ত’ শব্দটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে এবং ঘুরেফিরে অভিযোগ যাচ্ছে একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে এখনকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার পর বিভিন্ন সমাবেশে ‘গুপ্ত’ ও ‘সুপ্ত’ শব্দ ব্যবহারের পর সেটি আরও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আওয়ামী লীগের সময়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচনের ক্ষেত্রে এই শব্দ বিশেষভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করেছে। সেখানে তারা বিভিন্ন তথ্য–প্রমাণ দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছে—যারা বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগ সেজে নির্যাতন করেছে, তারা মূলত শিবিরের কর্মী ছিল।
যেমন ২০২২ সালের একটি ঘটনার কথা ধরা যাক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের এক মিছিলে ছাত্রলীগ হামলা চালায়। সেখানে তন্বী মল্লিক নামের এক শিক্ষার্থী ‘ছাত্রলীগের’ মুসা নামের এক কর্মীর ছোড়া ইটের আঘাতে মারাত্মক আহত হন। সম্প্রতি ভিডিও বার্তায় তন্বী অভিযোগ এনেছেন, সেই মুসা এখন ছাত্রশিবিরের বড় নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। একই ধরনের কথা বলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক নেতা আবদুল কাদের। তার মতে, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বড় একটা অংশ ছিল মূলত ছাত্রশিবির, যারা নিজেদেরকে ছাত্রলীগ প্রমাণ করতে মাত্রা ছাড়ানো নিপীড়ন চালিয়েছে, যাতে ছাত্রলীগের প্রতি মানুষের ঘৃণা উৎপাদন হয়।
মশিউর রহমান নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, এই গুপ্ত রাজনীতির সঙ্গে শিবির জড়িত। তার মতে, শিবিরের উচিত গুপ্ত রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা। তিনি নিজেকে সাদিক কায়েম ও ফরহাদের বন্ধু উল্লেখ করে ফেইসবুকে লিখেছেন, “আমার বন্ধু সাদিক পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ছাত্রলীগের সঙ্গে থেকেছে; কঠিন সময়েও তারা ছাত্রলীগের আশ্রয়ে হলে থেকেছে। এখন তারাই ভিন্ন পরিচয়ে সক্রিয়।”
সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে, ছাত্ররাজনীতি এক জটিল সমীকরণের দিকে এগোচ্ছে। ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানার ব্যবহার করে মূলত একটি সংগঠিত রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য হাসিলের অভিযোগ যেমন সামনে আসছে, তেমনি নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় ছাত্রদলকে মাঠে নামতে হচ্ছে। ফলে নিজেদেরকে ‘আসল ছাত্রদল’ প্রমাণ করতে গিয়ে তারাও বাড়াবাড়ি করছে। নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে ছাত্রলীগ আপাতত দৃশ্যপটে নেই। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে তারা নিজ নামে প্রকাশ্যে আসবে, আর না হলে তারাও যদি ‘গুপ্ত’ হয়ে অন্য পরিচয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে—তাহলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে?
প্রকাশ্য রাজনীতি থাকলে কোনো ব্যক্তি অপকর্ম করলে তাকে এবং তার সংগঠনকে জবাবদিহির আওতায় আনা যায়। কিন্তু কেউ ‘গুপ্ত’ থেকে অপকর্ম করলে তার দায় কি কোনো সংগঠনের ওপর দেওয়া যায়? এই প্রশ্নটিই এখন সবচেয়ে বড় হয়ে সামনে আসছে। ফলে যাদের বিরুদ্ধে গুপ্ত রাজনীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে, তাদের উচিত যৌক্তিকভাবে সেসব অভিযোগ খণ্ডানো। যারা সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইছেন, তাদের আমলনামা খুঁজে দেখা দরকার।