লেপ কম্বলের দরদাম

শীত মৌসুমে উষ্ণ ছোঁয়া।

মামুনুর রশীদবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 25 Nov 2014, 01:03 PM
Updated : 27 Nov 2014, 11:15 AM

এই শীতে যারা কম্বল বা লেপ কিনতে চাচ্ছেন তাদের জন্য রইল কিছু দরকারি তথ্য।

কম্বল

দেশি-বিদেশি কম্বলে ছেয়ে রাজধানীর শপিং সেন্টারগুলো। সেসব কেনার জন্য বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। বিক্রেতার মুখে শোনা যাচ্ছে নতুন নতুন কম্বলের ব্যান্ডের নাম।

ঢাকার নিউমার্কেটের এমনই একটি কম্বলের দোকান যমুনা বেডিং, যেখানে পাওয়া যাচ্ছে দেশি কম্বলের পাশাপাশি চীনা, জাপানি ও কোরিয়ান কম্বল। দামের ব্যাপারে আভাস দিলেন দোকানের বিক্রয়কর্মী জসিম।

চীনা ডাবল কম্বলগুলোর দাম ২ হাজার ২শ’ থেকে ৫ হাজার টাকা। জাপানি কম্বলগুলোর দাম ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। কোরিয়ান কম্বলের দাম ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা।

সিঙ্গেল কম্বলের দাম ২ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। বাচ্চাদের কম্বলগুলো পাওয়া যাচ্ছে ৬শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকায়।

প্রমা বেডিং হাউজের কর্ণধার সাইফুল ইসলাম জানান, প্রথমে দেখে নিতে হবে হাত দিয়ে টানলে পশমগুলো উঠে যাচ্ছে কিনা আর সেলাইগুলো ঠিক আছে কিনা। পশম উঠে আসলে বুঝতে হবে কম্বলের মান খারাপ।

তিনি আরও জানান, বিদেশি কম্বলের মধ্যে চীনের কম্বলগুলোর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। মান তুলনামূলকভাবে খারাপ হলেও, দাম কম হওয়ায় বাড়তি চাহিদার মূল কারণ।

লেপ

লেপ বানাতে চাইলে সে ব্যবস্থাও আছে নিউমার্কেট এলাকাতেই। নীলক্ষেত মোড়ের পেট্রোল পাম্পের পাশেই আছে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি লেপ বানানোর দোকান।

বেঙ্গল বেডিং স্টোরের কর্ণধার মোহাম্মদ মুসলিম জানালেন, লেপ বানাতে ব্যবহার করা হয় কার্পাস তুলা।

এই তুলারও আছে ভালো ও মন্দ দুটি ধরণ। ভালোমানের কার্পাস তুলা দিয়ে একটি চার বাই পাঁচ হাত লেপ বানাতে খরচ পড়বে ১ হাজার ২শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা। আর নিম্নমানের তুলা দিয়ে বানালে খরচ পড়বে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩শ’ টাকা।

ডাবল লেপ বানাতে তিন থেকে চার কেজি কার্পাস তুলার প্রয়োজন হয়। আর লেপের কাপড় হিসেবে ব্যবহার করা হয় মার্কিন এবং মলমল কাপড়।

কভার বা লেপের খোলসের জন্য খরচ পড়বে ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা।

সিঙ্গেল লেপের খরচাপাতির হিসাব দিলেন বিউটি বেডিং স্টোরের ম্যানেজার মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম।

সিঙ্গেল লেপ বানাতে তুলা লাগে দুই থেকে তিন কেজি। তুলার মানভেদে খরচ পড়বে সাড়ে ৬শ’ থেকে ১ হাজার ৩শ’ টাকা।

ছোটদের লেপ বানাতে খরচ পড়বে ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা।

ছবি: শিশির।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক