Published : 20 Jun 2026, 11:58 AM
অফিসে কাজের ফাঁকে, অতিথি আপ্যায়নে, আড্ডায় কিংবা নিজের সতেজতায় এক কাপ চায়ের তুলনা হয় না।
আর দেশের নানান ব্র্যান্ডের ব্র্যান্ডের মাঝে চা নিয়ে স্বাদের ধারাবাহিকতা ও আধুনিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে আবুল খায়ের গ্রুপের ‘সিলন চা’। কেবল দেশের ভেতরেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের চা–শিল্পের সফল প্রতিনিধিত্ব করছে ব্র্যান্ডটি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টানা চার বছর ধরে দেশের সর্বোচ্চ ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানিকারক হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিলন।
দেশের মোট ব্র্যান্ডেড চা রপ্তানির প্রায় অর্ধেক অংশে এককভাবে অবদান রাখছে সিলন, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি চায়ের ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতা ও সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, আবুল খায়ের গ্রুপ ২০২৫ সালে মোট চা রপ্তানির ৪২ শতাংশ একাই করেছে, তাদের রপ্তানির আয় ১৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার। মোট রপ্তানির ২৬ শতাংশ করে দ্বিতীয় অবস্থানের রয়েছে ফিনলে টি, এই প্রতিষ্ঠানের আয় ৯ লাখ ১৩ হাজার ডলার।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইস্পাহানি গ্রুপ, এই প্রতিষ্ঠানের রপ্তানির অংশ ১১ শতাংশ, তাদের আয় ৩ লাখ ৮১ হাজার ডলার।
চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে সিটি ও ভিভিডভেঞ্চার। বিদেশে চা রপ্তানিতে আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
রপ্তানিকারক এসব প্রতিষ্ঠান দেশের বাজারে পণ্য বিক্রিতেও বৈচিত্র্য এনেছে। তবে বাজারে প্রথমবারের মতো স্ট্যাপলবিহীন (পিনমুক্ত) নিরাপদ টি-ব্যাগ ও আধুনিক পিরামিড আকৃতির টি-ব্যাগ নিয়ে আসে ‘সিলন টি’। দেশের সাধারণ মানুষের চা পানের অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ভোক্তাদের বৈচিত্র্যময় স্বাদ ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চা তৈরির ভিন্নতার কথা বিবেচনা করে বাজারে বৈচিত্র্যময় ব্লেন্ড এনেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। এর মধ্যে রয়েছে সিলন ফ্যামিলি ব্লেন্ড, সিলন গোল্ড, সিলন বিওপি, সিলন পিডি, সিলন সিডি ও সিলন আরডি।
ঘরের পারিবারিক আড্ডা থেকে শুরু করে রাস্তার ধারের চায়ের দোকান—সবখানেই এই ব্লেন্ডগুলো বেশ জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
ডিসক্লেইমার
প্রতিবেদনটি একটি বিজ্ঞাপন বার্তা; সংবাদ প্রতিবেদন নয়। আর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরি করা। এর কোনো কনটেন্টের দায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নয়।