বৈশাখী আয়োজনে বিশ্বরঙ
টেপা পুতুল ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নানান বিষয় উঠে এসেছে পোশাকের নকশায়।
১৯৯৪ সাল থেকে বিপ্লব সাহা দেশের ফ্যাশন অঙ্গনে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই হিসেবে বলা যায় উৎসব পার্বণ উৎযাপনে বিশ্বরঙ সবসময়ই দেশীয় সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করছে ৩১ বছর ধরে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
বৈশাখে বাংলার লোকঐতিহ্য টেপা পুতুল এবং প্রকৃতির রং-রূপ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পোশাক অলঙ্করণের অণুষঙ্গ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ফ্যাশন ডিজাইনার ও বিশ্বরঙ’য়ের কর্নধর বিপ্লব সাহা বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, “বাংলার মাটির তৈরি টেপা পুতুল শুধু একটি খেলনা নয়; এটি আমাদের গ্রামীণ শিল্প, সরল জীবনধারা এবং লোকসংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতীক। সেই ঐতিহ্যের রূপ, রং ও ভাবনাকে আধুনিক ফ্যাশনের ভাষায় তুলে ধরতেই আমাদের এই বিশেষ প্রয়াস।”
পোশাকগুলোর নকশায় থাকছে প্রকৃতির স্বাভাবিক রংয়ের ব্যবহার— মাটির লাল, পাতা সবুজ, আকাশী নীল এবং ফুলের কোমল আভা।
কাপড়ের বুনন, মোটিফ ও অলঙ্করণে প্রতিফলিত হয়েছে টেপা পুতুলের সরলতা, লোকজ নকশা এবং বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্য।
বিপ্লব আরও বলেন, “বিশ্বরঙ-এর এই আয়োজনের উদ্দেশ্য কেবল নতুন পোশাক উপস্থাপন নয়; বরং বাংলার হারিয়ে যেতে বসা লোকশিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। বৈশাখের উৎসবমুখর আবহে প্রকৃতি, ঐতিহ্য এবং সমকালীন ফ্যাশনের এক সৃজনশীল মিলন ঘটিয়ে নিজস্ব সৃষ্টিশীলতাকে আমাদের নাগরিক জীবনে পৌছে দেওয়ার অভিপ্রায় মাত্র।”
কাজের মাধ্যম হিসাবে রয়েছে স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রিন্ট, মেশিন এমব্রয়ডারি, কম্পিউটার এমব্রয়ডারি, হ্যান্ড এমব্রয়ডারি, কারচুপি, নকশী কাঁথা, জারদৌসীসহ মিশ্র মাধ্যমের নিজস্ব বিভিন্ন কৌশল।
শিশুদের জন্য রয়েছে নান্দনিক সব সংগ্রহ। সেই সাথে প্রাপ্ত বয়স্ক এবং নারীদের জন্য আছে ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের ছোঁয়া।
বিক্রয়কেন্দ্রগুলো ছাড়াও bishworang.com.bd, এবং তাদের ফেইসবুক পেইজ থেকেও সংগ্রহ করা যাবে এসব পোশাক।
