Published : 01 Aug 2023, 11:26 PM
রোগীদের সর্বোচ্চ সেবার মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদকের’ সন্মান ধরে রাখতে সহকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন।
মঙ্গলবার ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩’ পদক পাওয়া উপলক্ষে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, সেবিকা ও কর্মচারীরা পরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।
মীর জামাল বলেন, “এ অর্জন হাসপাতালে কর্মরত সকলের। অপনাদের নিরবিচ্ছিন্ন সেবার কারণেই আজকের এই সন্মান। এই সন্মানটুকু আমাদের সকলকে ধরে রাখতে হবে।”
সোমবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ২৮ জন কর্মকর্তার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ‘গবেষণা ও মানবকল্যাণে এর ব্যবহার’ শ্রেণিতে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং ‘নীতি ও প্রশাসনিক পদ্ধতির সংস্কার’ শ্রেণিতে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে এই পদক দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পদক বিতরণ করেন।
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসকে উৎসাহিত করতে ২০১৬ সাল থেকে জনপ্রশাসন পদক দেওয়া শুরু করে সরকার। ২০২২ সাল থেকে এই পদকের নাম বদলে ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক’ করা হয়।
মঙ্গলবার পরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এবং জাপান সরকারের কারিগরি সহায়তায় ১০টি কেবিন ও ১১০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।
বর্তমানে এটি দেশের সর্ববৃহৎ সরকারি বিশেষায়িত এক হাজার ২৫০ শয্যার হৃদরোগ হাসপাতাল। এ হাসপাতালে ৪০ শয্যার করোনারি কেয়ার ইউনিট, ৫০ শয্যার কার্ডিয়াক আইসিইউ, ১১ শয্যার ভাসকুলার আইসিইউ, ১৩ শয্যার পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক আইসিইউ, ৭টি অত্যাধুনিক কার্ডিয়াক সার্জারি অপারেশন থিয়েটার, দুটি ভাসকুলার অপারেশন থিয়েটার ও একটি ইমার্জেন্সি ভাসকুলার অপারেশন থিয়েটার চালু রয়েছে।
সরকারি পর্যায়ে এ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসায় সর্বাধুনিক পাঁচটি প্রযুক্তি (রোটা, ওসিটি, এইচডি আইভাস, আইভিএল, টাভার) চালু করা হয়েছে। এ হাসপাতালেই সংযোজিত আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে রিং স্থাপন করা হচ্ছে।