Published : 10 Jun 2026, 05:50 PM
গেল শতাব্দীর সত্তরের দশকে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জন্মনিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব না দিলে দেশের জনসংখ্যা এত দিনে ৪০ কোটি হয়ে যেত বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
বুধবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা আধুনিকায়নে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শিরোনামে এ সভা হয়।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ড্যাব) এ সভা আয়োজন করে।
এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনও বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, “গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশের প্রতিটি থানা হেডকোয়ার্টারে ৩১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে তিনিই গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।
হাম ও ডেঙ্গু মোকাবেলার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমার একটাই কথা, আমরা সবাই মিলে একটি বিষয় মোকাবিলা করছি। আমরা অনেকটা এগিয়েছি, সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ আসছে। আপনারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবেন এবং ডেঙ্গু বিষয়ে ‘প্রটোকল’ মেনে চলবেন।”
জিয়াউর রহমান ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জন্ম নিয়ন্ত্রণে জিয়াউর রহমানের পদক্ষেপ তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুহিত বলেন, “বিএনপি ৭৭ সালে সরকার গঠনের পর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিয়েছিল। যেটার সফলতার কথা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে এখনো আলোচনা হয়।
“সেটি না করলে হয়ত বর্তমানে দেশে ২০ কোটির জায়গায় ৪০ কোটি মানুষ হতো। এছাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার অংশ হিসেবে পরিবার পরিকল্পনা এবং টিকাদান কর্মসূচি বিএনপিরই অবদান।”
সভায় অন্যদের মধ্যে ড্যাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কেনান, মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল ও সাবেক মহাসচিব মো. আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।