Published : 18 Apr 2026, 10:09 PM
বিনোদন জগতে জেন্ডার সংবেদনশীল ও ইতিবাচক চিত্রনাট্য তৈরির বিষয়ে দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন ৬০ জন চিত্রনাট্যাকার।
শনিবারের এ কর্মশালায় সমাজ পরিবর্তনের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সংবেদনশীল গল্প বলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এতে চিত্রনাট্যে নারী ও পুরুষের সমতা এনে সংবেদশীল বিনোদন মাধ্যম গড়ার লক্ষ্যে নাট্যকারদের মাঝে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরির কথা বলেন প্রশিক্ষক ও বক্তারা।
তারা টেলিভিশন ও অনলাইন নাটকে বিদ্যমান জেন্ডার বৈষম্য ও সমাজে প্রচলিত জেন্ডার বিষয়ক নেতিবাচক ধারণাগুলো চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মশালা পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, নাট্যকার ও পরিচালক মাসুম রেজা এবং অভিনেত্রী ও শিক্ষাবিদ ওয়াহিদা মল্লিক জলি।
তারা সামাজিক ধারণা গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা, চরিত্রায়ণে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং চিত্রনাট্যে জেন্ডার সংবেদনশীল ভাষার প্রয়োগের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
মাসুম রেজা বলেন, “আপনি নারীকে কোন ভূমিকায় দেখতে চান? প্রচলিত বা প্রথাগত কোনো ছককাটা চরিত্রে, নাকি সেই যৌক্তিক ভূমিকায় যা সত্যিকার অর্থেই একজন নারীর প্রাপ্য? নারীর চিত্রায়ণের ক্ষেত্রে আমাদের চিরাচরিত প্রথা থেকে বের হয়ে এসে নারীকে ক্ষমতায়নের ভূমিকায় দেখাতে হবে।”
‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইকুয়ালিটি’ প্রকল্পের আওতায় ও টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সহযোগিতায় রাজধানীতে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে চার বছর মেয়াদী এই প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট।
কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বল, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মকর্তা নিশাত সুলতানা ও মো. হুসাইন শাকির।