Published : 06 Jun 2026, 11:53 PM
ছায়ানটে নাচ-গান ও কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ হয়েছে ‘নজরুল উৎসব ১৪৩৩’।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছায়ানট মিলনায়তনে সমাপনী অনুষ্ঠান হয়েছে।
ছায়ানটের শিল্পীদের সম্মিলিত পরিবেশনা ‘হে পার্থসারথি’ শীর্ষক নৃত্যগীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর ধ্রুব সরকার পরিবেশন করেন নজরুলের গান ‘খেলিছ এ বিশ্বলয়ে’। নজরুলের কালজয়ী গানগুলো গাওয়া হয় একক সংগীত পর্বে।
অনুষ্ঠানে ফারাহ দিবা খান লাবণ্য গান করেন ‘নিশি-রাতে রিম ঝিম বাদল-নূপুর’। নরেন চক্রবর্তী গান ‘পরদেশী বঁধু ঘুম ভাঙায়ো চুমি আঁখি’। অনামিকা সরকার সোমা শোনান ‘কেন আন ফুল-ডোর আজি বিদায় বেলা’ গানটি।

একক সংগীতে সুনীল কুমার সূত্রধর, ফারহানা আক্তার শার্লি, মোহিত খান, আফরোজা খান মিতা, রেজাউল করিম, শুক্লা পাল সেতু ও সুমন চৌধুরীও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে ছায়ানটের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘চল রে চপল তরুণদল' গান।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব ‘বাঁশরী’ অংশে দুটি সম্মেলক গান ‘মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম’ ও ‘জয় হোক জয় হোক’ গাওয়া হয়।
এ অংশে একক গান গেয়ে শোনান গার্গী ঘোষ। তিনি গেয়েছেন ‘মম মধুর মিনতি শোন ঘন শ্যাম’। এই পর্বে গান ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়। সংগীতশিল্পী স্বর্ণা নাগ ও নৃত্যশিল্পী ওয়ার্দা রিহাব পরিবেশন করেন ‘সৃজন ছন্দে আনন্দে’।
কবিতা আবৃত্তি পর্বে মাসুদুজ্জামান পরিবেশন করেন ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’। সুস্মিতা দেবনাথ শুচি গেয়ে শোনান একক গান ‘আমি পথ মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে’। এ আয়োজনে নিমা রহমান আবৃত্তি করে শোনান 'অনাদিকাল হতে অন্তলোক’।

এ অংশের দ্বিতীয় পর্বে একক সংগীতে গাওয়া হয় নজরুলের গান ‘মম মধুর মিনতি শোন ঘন শ্যাম’, ‘বন কুন্তল এলায়ে’, ‘একি অসীম পিয়াসা’, ‘ভুলে যেয়ো ভুলে যেয়ো’, ‘হে প্রিয় তোমার আমার মাঝে’ গান।
এই পর্বে একক নৃত্য ও গান যৌথভাবে পরিবেশন করেন শারমিন সাথী ইসলাম ময়না ও নৃত্যশিল্পী সামিনা হোসেন প্রেমা।
অনুষ্ঠানের শেষভাগে ছায়ানটের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘গগনে গগনে চমকিছে দামিনী’। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের দ্বিতীয় দিনের সমাপ্তি ঘটে।