লাইনে দাঁড়িয়ে নয়, উত্তম কুমার ভোট দিতেন যেভাবে
সরকারি কর্মীদের যেমন পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা থাকে, সেই নিয়মেই প্রথম দিকে উত্তম কুমার ভোট দিতেন।
মহানায়ক উত্তম কুমার একটা সময়ে যেখানেই যেতেন, সেখানেই জনসমুদ্র। যে ভিড় সামাল দিতে সিনেমা সংশ্লিষ্টদের রীতিমত হিমশিম খেতে হত।
এই পরিস্থিতি তৈরি হত অভিনেতা যখন ভোট দিতে যেতেন, সেই কেন্দ্রেও।
টিভি নাইন বাংলাকে মহানায়কের পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, উত্তম কুমার একসময় পোর্ট ট্রাস্টের কর্মচারী ছিলেন। সরকারি কর্মীদের যেমন পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা থাকে, সেই নিয়মেই প্রথম দিকে তিনি ভোট দিতেন।
পরবর্তীতে অভিনয়ের নেশায় চাকরি ছাড়লেও তৎকালীন সরকার উত্তম কুমারের জন্য এই বিশেষ সুবিধাটি বহাল রেখেছিল। কারণটা ছিল ‘সম্পূর্ণ নিরাপত্তাজনিত’।
প্রশাসনের আশঙ্কা ছিল, মহানায়ক যদি সাধারণ বুথে ভোট দিতে আসতেন, তবে তাঁকে একঝলক দেখার হুটোপুটিতে বড়সড় কোনো দুর্ঘটনা বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারত। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতেই খামে ভরে মহানায়কের ভোট সংগ্রহের প্রক্রিয়া জারি রাখা হয়েছিল।
এখনকার টালিগঞ্জ বা বলিউডের তারকারা কেবল ভোট দিতেই যান না। ভোটদানের প্রক্রিয়াটিও তারা প্রচারের একটি পর্ব করে নিয়েছে।
১৯৮০ সালের চব্বিশে জুলাই মহালোকে পাড়ি দিয়েছিলেন উত্তম কুমার। ৫৪ বছর বয়সে তার চলে যাওয়ার আক্ষেপ আজও বাজে তার ভক্তদের মনে।
