‘ইত্যাদির’ পর্বে নজরুল স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালের ছায়া
জাতীয় কবির বিভিন্ন অমর কবিতা ও তার প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানো হয়েছিল ‘ইত্যাদির’ মঞ্চ।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ছাত্রজীবনের স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালের দরিরামপুরে ধারণ করা ‘ইত্যাদির’ একটি সংকলিত পর্ব প্রচার হবে শুক্রবার রাতে।
তিন বছর আগে ধারণ করা হয়েছিল এই পর্বটি। জাতীয় কবির বিভিন্ন অমর কবিতা ও তার প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানো হয়েছিল মঞ্চটি।
ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন আর স্পন্সর করেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।
ফাগুন অডিও ভিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচার হবে ত্রিশালের দরিরামপুরে ধারণ করা পর্বটি। পাশাপাশি সংকলিত ‘ইত্যাদি’তে অন্য পর্বের কিছু অংশও দেখানো হবে।
‘ইত্যাদির’ এই পর্বটিতে একটি জনপ্রিয় নজরুলসংগীত গেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার ও প্রিয়াংকা গোপ। রয়েছে জাতীয় কবির তিনটি গান ও দুটি কবিতার সমন্বয়ে সৃষ্ট একটি সংগীতের সঙ্গে স্থানীয় শতাধিক নৃত্যশিল্পীর নাচ। দুটি গানেরই সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী।
নৃত্য পরিচালনা করেছেন মনিরুল ইসলাম। এছাড়া এবারের সংকলিত এই পর্বে ‘ইত্যাদি’র সাভার ইপিজেড পর্ব থেকে জনপ্রিয় শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী ও সুবীর নন্দীর একটি গান সংকলন করা হয়েছে। গানটির কথা লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, সংগীত পরিচালনা করেছেন আলী আকবর রুপু।
বরাবরের মত এবারের পর্বেও রয়েছে হৃদয় ছোঁয়া কয়েকটি প্রতিবেদন। রয়েছে নজরুলের ত্রিশাল অধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণী। রয়েছে চাল নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের চালবাজির চালচিত্র, পিএইচডি ডিগ্রিধারী একজন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি অধ্যাপক আবু বকর সিদ্দিকের কৃষিবিষয়ক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি প্রতিবেদন।
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার আবদুল মালেকের ওপর একটি মানবিক প্রতিবেদন দেখা যাবে। এবারের পর্বে রয়েছে গ্রিসের অ্যাক্রোপোলিসের ওপর একটি তথ্যবহুল প্রতিবেদন।
দর্শকপর্বের নিয়ম অনুযায়ী ধারণস্থান ত্রিশাল এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মাঝখান থেকে চারজনকে নির্বাচন করা হয়।
দ্বিতীয় পর্ব সাজানো হয়েছে কিছু নজরুলসংগীত ও লোকসংগীত নিয়ে। এই পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরল বাদ্যযন্ত্র সংগ্রাহক ময়মনসিংহের সন্তান রেজাউল করিম।
নানান সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু বিদ্রূপাত্মক নাট্যাংশসহ এবারও যথারীতি রয়েছে মামা-ভাগনে, নানি-নাতি ও চিঠিপত্র বিভাগ।
