Published : 06 Oct 2025, 02:46 PM
দেশের অন্যতম নাট্যসংগঠন প্রাচ্যনাটের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ সভায় আগামী দুই বছরের (২০২৫-২০২৭) জন্য এই কমিটি গঠন হয় বলে রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে প্রাচ্যনাট।
নাট্যদলটির মুখ্য সম্পাদকের (প্রশাসন, অফিস ও লজিস্টিক) দায়িত্ব পেয়েছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। স্কুল ও প্রশিক্ষণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সাহানা রহমান সুমি।

এছাড়া অর্থ সম্পাদক আরিফ রেজা খান, তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক বিন ই আমিন এবং প্রযোজনা ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন তানজি কুন।
১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জন্ম নেওয়া প্রাচ্যনাট- ‘সার্কাস সার্কাস’, ‘কইন্যা’, ‘এ ম্যান ফর অল সিজনস’সহ বেশ কয়েকটি নাট্যপ্রযোজনার মধ্য দিয়ে প্রশংসিত হয়েছে।

আরও আছে- ‘গন্ডার’, ‘মান্দার’, ‘রাজা এবং অন্যান্য’, ‘কিনু কাহারের থেটার’, ‘পূনর্জন্ম’, ‘মায়ের মূখ’, ‘ট্র্যাজেডি পলাশবাড়ি’, ‘পুলসিরাত’, ‘খোয়াবনামা’, ‘আগুনযাত্রা’, ‘অচলায়তন'।
উন্মুক্ত থিয়েটার, শিশুদের জন্য প্রাচ্যনাট, থিয়েটার ল্যাব প্রডাকশনস, প্রাচ্যনাট গবেষণা সেল, মিউজিক্যাল অনসাম্বল এবং ‘উঠান নাটকের মেলার’ মত নিরীক্ষাধর্মী উদ্যোগ দেশের নাট্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অন্য দেশের সঙ্গেও যৌথ শিল্পচর্চায় ভূমিকা রেখেছে দলটি। এই দলের আন্তর্জাতিক প্রযোজনার মধ্যে আছে- ‘বাবরনামা’ (জাপান ফাউন্ডেশন), ‘কামন বাংলাদেশ: জাস্ট ডু ইট’ (রয়্যাল ডেনিশ থিয়েটার, ডেনমার্ক ও ‘বাটারফ্লাই বাটারফ্লাই’-বাংলা স্কট ফাউন্ডেশন)।
প্রাচ্যনাট কার্যক্রমের একটি বড় সাফল্য ‘প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন’। নাটক শিক্ষায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্কুলটি ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

এ পর্যন্ত স্কুলটি মোট ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে সমাপ্ত করেছে। বর্তমানে চলছে ৪৯তম ব্যাচের কার্যক্রম। প্রতিটি ব্যাচ একটি নতুন নাটক মঞ্চে এনেছে।
বর্তমানে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রাচ্যনাট একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ‘থিয়েটার হাব’ গড়ে তুলবার স্বপ্ন দেখছে বলে দলটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।