Published : 20 Jun 2026, 06:37 PM
আওয়ামী লীগ আমলে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) ও জিডিপি গণনায় ব্যবহার হওয়া তথ্যউপাত্তের ‘ফরেনসিক ইনভেস্টিগেশন’ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।
এক্ষেত্রে সিপিআই ও জিডিপির হিসাব কষতে গিয়ে কোনো তথ্য এদিক-সেদিক করা হয়েছে কিনা, সেটাও দেখার কথা বলেছেন তিনি।
শনিবার ঢাকায় আগাঁরগাওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সেখানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন তিনি। ভোক্তা মূল্য সূচক, মূল্যস্ফীতি ও মজুরি হার সূচক ও জিডিপি প্রণয়ন নিয়ে এই সভা হয়।
সভায় জিডিপির তথ্য-উপাত্ত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুণগত পরিসংখ্যান সরবরাহে বাধ্য করতে ‘পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩’ হালনাগাদ করার সুপারিশ করা হয়।
বিফ্রিং জোনায়েদ সাকি বলেন, “অতীতের যত তথ্য-উপাত্ত আছে, সবকিছু পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ আমলের তথ্যগুলোর ‘ফরেনসিক ইনভেস্টিগেশন’ করা হচ্ছে।
“সেখানে কোথাও কোনো তথ্য ‘ম্যানিপুলেট’ করা হয়েছে কিনা, তা দেখা হচ্ছে। ভুল ও বিকৃত উপাত্ত চিহ্নিত করতে সরকার এখন গভীর তদন্ত ও পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) এবং জিডিপি গণনার প্রচলিত পদ্ধতিগুলোকে আধুনিক ও বাস্তবসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয়ায় সঠিক ফলাফল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন গবেষক, বিশেষজ্ঞ এবং অংশীজনদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান ব্যবস্থা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। এ জন্য দুটো টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের প্রস্তাবও এসেছে।”
১১৪টি বাজারের তথ্য ও ৫৬৯টি পণ্যের দর নিয়ে মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়।
সাকি বলেন, “এটি আরো প্রতিনিধিত্বমূলক করা যায় কিনা, আওতা আরো বাড়ানো যায় কিনা, চিন্তা করা হচ্ছে। কারণ, আমরা তথ্য বিকৃত করতে চাচ্ছি না।”