Published : 20 Jun 2026, 07:24 PM
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মাঠের ঘাস নিয়ে এবার উঠেছে বিতর্ক। ফ্রান্স কোচ দিদিয়ে দেশম বলেছেন, নিউ জার্সির পিচে খেলার সময়, তার দলের খেলোয়াড়দের বুট বদল করতে হয়েছিল। দলটির খেলোয়াড়, আদ্রিওঁ রাবিওঁ, এটাকে মাঠই বলতে রাজি নন।
এই বিতর্কে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে ফিফা। বৈশ্বিক ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রতিটি পিচের মান ভালো এবং শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য, তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে প্রথাগত ঘাসের বদলে নতুন করে ঘাস উদ্ভাবন করা হয়েছে। কৃত্রিম টার্ফের ওপর এই ঘাস বুনে তৈরি করা হয়েছে মাঠ। বুটের স্পাইক বা স্টাডের আঘাত সয়ে টিকে থাকতে পারে, এভাবেই তৈরি করা হয়েছে এই ঘাস।
গত মঙ্গলবার সেনেগালের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয়ের পর মাঠের মান ও ঘাস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দিদিয়ে দেশম। পিচের মান স্বাভাবিক মনে হয়নি ফরাসি কোচের।
“অল্প কথায় বলতে গেলে…এটা ব্যতিক্রম। স্বাভাবিক নয়। এগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে হবে। এটা ভিন্নরকম (পিচ), এখানে বলও ভিন্নভাবে লাফাবে। আমাদের কোনো খেলোয়াড় স্ক্রু থাকা স্টাডের বুট ব্যবহার করেনি। যদিও, আজ এটা একটু বেশি মানানসই ছিল।”
ফরাসি মিডফিল্ডার আদ্রিওঁ রাবিওঁ এই পিচকে পিচই বলতে চান না।
“এই পিচ…আমি জানি না, এটাকে এমনকি পিচ বলা যায় কিনা। কৃত্রিম মাঠে খেলার মতোই অনুভব করেছি আমি- বেশ শক্ত এবং অনমনীয়।”
ধারাভাষ্যকার, গণমাধ্যমকর্মী এবং টিভিতে যা দেখছেন, তারাও মাঠের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। নিউ ইয়র্কের এই মাঠেই হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল; আগামী ১৯ জুলাইয়ে।
মাঠের কোথাও কোথাও সবুজ রং ফিকে হয়ে গেছে, পোস্টের সামনে কোথাও কোথাও উঠে গেছে ঘাস।
অবশ্য ভ্যানকুভারের মাঠ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। তুরস্কের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার এইডেন ও’নেইল যেমন বলেন, মাঠের কন্ডিশন খুবই ভালো।