বঙ্গবন্ধু টানেল নিয়ে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা: বিভাগীয় কমিশনার

উদ্বোধনের পরদিন এটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 7 Feb 2024, 06:29 AM
Updated : 7 Feb 2024, 06:29 AM

কর্ণফুলীর নদীর তলদেশে নির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’ নিয়ে কোনো গুজব ছড়ানো হলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম।

এই টানেল উদ্বোধনের এক প্রস্তুতিমূলক সভায় ম্ঙ্গলবার তিনি বলেন, “টানেল আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এটা নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে বা প্রপাগান্ডা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। গণমাধ্যমের কর্মীদেরও অনুরোধ, এটা আমাদের জাতীয় অর্জন। এটাকে আশা করি আপনারা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করবেন।”

মোট ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত টানেলটি আগামী ২৮ অক্টোবর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন থেকে এটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

টানেলের সুরক্ষায় সকলের দায়িত্ব রয়েছে মন্তব্য করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, “প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং রাজনীতিবিদদের যেমন দায়িত্ব আছে, তেমনি নাগরিকদেরও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে। এটা একটা কেপিআই (কি পয়েন্ট ইন্সটলেশন), কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে। সে বিষয়ে সবাইকে নজর রাখতে হবে।”

সভায় নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, “এটা অনেক বড় অর্জন। নদীর তলদেশে টানেল একসময় স্বপ্ন ছিল। আজ বাস্তব। এটি আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে উদ্বোধন হবে আনুষ্ঠানিকভাবে। এই অর্জনকে খাটো করা, প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টাতো এক পক্ষের থাকবে। আগেও বিভিন্ন বড় প্রকল্পে আমরা দেখেছি। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

কর্ণফুলীর দুই তীরকে যুক্ত করে গড়ে তোলা মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। টানেলের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে মোট ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক আছে। নদীর তলদেশ থেকে টানেলের সর্বোচ্চ গভীরতা ৩১ মিটার।

কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ গড়ে তুলতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার। ২০১৫ সালে অনুমোদন পাওয়ার দুই বছর পর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়।

(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)