১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘সন্দেহবশত কাউকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নয়’

“শোন অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে অবশ্যই কেইস ডায়েরির কপি উপস্থাপন করতে হবে এবং তাতে গ্রেপ্তার দেখানোর উপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে।”

‘সন্দেহবশত কাউকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নয়’
চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে সোমবার পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে অতিথিরা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Jun 2026, 12:19 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:25 PM

ঢালাওভাবে বা সন্দেহের বশবর্তী হয়ে কাউকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন না করতে পুলিশকে বলেছেন চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ জি এম মনিরুল হাসান সরকার।

সোমবার চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কনফারেন্স রুমে ‘পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে’ বক্তব্য রাখছিলেন।

রাতে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম।

মনিরুল হাসান বলেন, “শোন অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে অবশ্যই কেইস ডায়েরির কপি উপস্থাপন করতে হবে এবং তাতে গ্রেপ্তার দেখানোর উপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। ঢালাওভাবে বা সন্দেহের বশবর্তী হয়ে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা যাবে না।

“ভুক্তভোগীকে পরীক্ষাকারী চিকিৎসকের ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর’ এর ১৬১ ধারার অধীন জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করতে হবে।”

মেডিকেল কর্মকর্তাদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর লিপিবদ্ধ করার পাশাপাশি সঠিক সময়ে মেডিকেল সনদ সরবরাহের জন্য কমিটি বা বোর্ড গঠন করা যায় কিনা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিচালকের প্রতিনিধিকে নির্দেশ দেন তিনি।

চমেক হাসপাতালে ‘অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট’ শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণে গত ৮ জুন দেওয়া নির্দেশনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম বিলুপ্ত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সেবাপ্রার্থীদের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

এই লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এবং জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার আহ্বান তার।  

মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম বলেন, “আদালত প্রাঙ্গণে যেসব জব্দ করা আলামত রয়েছে তা ইতোমধ্যে নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। 

“মহানগর দায়রা জজ আদালত ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জন্য পৃথক ভবন প্রয়োজন। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে।” 

সভায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলাম, চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. সোয়েব খান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) হামীমুন তানজীন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক, মো. আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা, মুহাম্মদ আবুল মনছুর ও ফাহমিদা সাত্তার, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুদ্দিন, মহানগর পিপি মফিজুল হক ভূইয়া ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হকসহ পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।